Thursday, 30 September 2021

স্ত্রীর উপর স্বামীর হক

স্ত্রীর সাথে মিলনের জন্য কি তাঁর অনুমতি নেয়া প্রয়োজন ? 

 মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামী যখন তাঁর স্ত্রীকে দৈহিক প্রয়োজনে আহবান করবে, সে যেনো স্বামীর কাছে অত্যন্ত দ্রুত চলে আসে । এমনকি সে রান্না ঘরে রুটি পাকানোর কাজে ব্যস্ত থাকলেও ।” 

সুনানে তিরমিযি ১১৬০ , ছহীহুল জামে ৫৩৪

মহানবী সা: বলেছেন “ যে স্ত্রী স্বামীর ডাকে সাঁড়া না দেয় এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্হায় সারারাত একাকী কাটায়, সে স্ত্রীর উপর ফিরিশ্তারা সকাল পর্যন্ত লা’নত দিতে থাকে ।”

ছহীহুল বোখারি ৫১৯৩, ছহীহ মুসলিম ১৪৩৬
সুনানে আবু দাউদ ২১৪১, নাসাঈ

মহানবী সা: বলেছেন “ তিন ব্যক্তির নামাজ তাঁদের মাথা অতিক্রম করেনা অর্থাৎ কবুল হয়না । তন্মধ্যে একজন হলেন অবাধ্য স্ত্রী , যে স্বামীর ডাকে সাঁড়া দেয়না এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্হায় ঘুমায় ।”

তাবরানী ১০৮৬, সুনানে তিরমিযি ৩৬০, হাকেম
সিলসিলা ছহীহা ২৮৮

মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেকে নফল রোজা রাখা যাবেনা এবং স্বামীর অপছন্দ ব্যক্তিকে ঘরে প্রবেশ করানো যাবেনা ।”

ছহীহুল বোখারি ৫১৯৫, ছহীহ মুসলিম ২৪১৭
দারেমী ১৭২০,সিলসিলা আহাদিসুস ছহীহা ৩৯৫

 মহানবী সা: বলেছেন “ পরকালে আল্লাহপাক স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ স্ত্রীর দিকে তাকাবেন না ।”

নাসাঈ কুবরা ৯১৩৫, বাযযার ২৩৪৯, তাবরানী
হাকেম ২৭৭১, বাইহাক্বী ১৪৪৯৭, সিলসিলাহ ছহীহা ২৮৯

 মহানবী সা: বলেছেন “ কোন স্ত্রী যদি তাঁর স্বামীর অধিকার সম্পর্কে জানতো, দিনে বা রাতের খাবার শেষ করে স্বামীর পাশে সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতো ।”

ছহীহুল জামে ৫২৫৯, তাবরানী

 মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামীর অবাধ্য স্ত্রীর জন্য জান্নাত হারাম ।”

মুসনাদে আহমদ ১৯০০৩, নাসাঈ, হাকিম, বায়হাক্বী 

 মহানবী সা: বলেছেন “ যে স্ত্রী তাঁর স্বামীকে কষ্ট দেয়, জান্নাতের হুরেরা বলেন “ তোমার স্বামীকে কষ্ট দিওনা । তিনি তোমার কাছে সাময়িক মেহমান মাত্র । তোমাকে ছেড়ে অচিরেই আমাদের কাছে ফিরে আসবে ।”

তিরমিযি ১১৭৪, ইব্নে মাজাহ ২০১৪

 মা- বাবা সহ সকলের মৃত্যুতে শোক পালন হচ্ছে  মাত্র ৩ দিন পর্যন্ত । পক্ষান্তরে স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করতে হবে ৪ মাস ১০ দিন । 

সূরা আল বাক্বারা ২৩৪, ছহীহুল বোখারি ১২৮০
ছহীহ মুসলিম ৩৮০২

Wednesday, 29 September 2021

মানুষ সৃষ্টির রহস্য

 বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। তো, লজিক অনুযায়ি মেয়েদের গর্ভে যদি সেই পরিমান শুক্রানু স্থান পেতো তাহলে ৪০ কোটি বাচ্চা তৈরি হতো, এই ৪০ কোটি শুক্রাণু মায়ের জরায়ুর দিকে পাগলের মত ছুটতে থাকে, জীবিত থাকে মাত্র ৩০০-৫০০ শুক্রাণু। আর বাকিরা? এই ছুটে চলার পথে ক্লান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়। এই ৩০০-৫০০ শুক্রাণু যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে, তাদের মধ্যে মাত্র একটি মহা শক্তিশালী শুক্রাণু ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে। সেই ভাগ্যবান শুক্রাণুটি হচ্ছে আপনি কিংবা আমি অথবা আমরা সবাই।
কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন?
--------------------------------------------------------------
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন ছিলোনা কোন চোঁখ হাত পা মাথা, তবুও আপনি জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার ছিলোনা কোন সার্টিফিকেট, ছিলোনা মস্তিষ্ক তবুও আপনি জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার ছিলোনা কোন শিক্ষা, কেউ সাহায্য করেনি তবুও আপনি জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার একটি গন্তব্য ছিলো এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌড় দিয়েছিলেন এবং শেষ অবধি আপনিই জিতেছিলেন।
এরপর-
----------
❒ বহু বাচ্চা মায়ের পেটেই নষ্ট হয়ে যায় কিন্তু আপনি মারা যাননি, পুরো ১০ টি মাস পূর্ণ করতে পেরেছেন।
❒ বহু বাচ্চা জন্মের সময় মারা যায় কিন্তু আপনি টিকেছিলেন।
❒ বহু বাচ্চা জন্মের প্রথম ৫ বছরেই মারা যায় কিন্তু আপনি এখনো বেঁচে আছেন।
❒ অনেক শিশু অপুষ্টিতে মারা যায় কিন্তু আপনার কিছুই হয়নি।
❒ বড় হওয়ার পথে অনেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে কিন্তু আপনি এখনো আছেন।
আর আজ 
---------------
আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেনো ভাবছেন আপনি হেরে গিয়েছেন? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন? এখন আপনার বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন, সার্টিফিকেট, সবকিছু আছে। হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে ফেলেছেন। যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেননি। ৪০ কোটি শুক্রাণুর সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে ক্রমাগত দৌড় দিয়ে কারো সাহায্য ছাড়াই প্রতিযোগিতায় একাই বিজয়ী হয়েছেন।
তাহলে হতাশা কেনো? 
----------------------------
❒ কেনো একজন আপনার লাইফ থেকে চলে গেলে সেটা মেনে নিতে পারেন না?
❒ কেনো আপনি একটা কিছু হলেই ভেঙে পড়েন?
❒ কেনো বলেন আমি আর বাঁচতে  চাইনা?
❒ কেনো বলেন আমি হেরে গিয়েছি?
এমন হাজারো কথা তুলে ধরা সম্ভব, কিন্তু আপনি কেনো হতাশ হয়ে পড়েন? আপনি কেন হারবেন? কেন হার মানবেন? আপনি শুরুতে জিতেছেন, শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন। নিজেকে সময় দিন, মনকে প্রশ্ন করুন-কি প্রতিভা আছে আপনার? মনের চাওয়া কে সব সময় মূল্য দিন, সব সময় আল্লাহ কে স্বরণ করুন। দেখবেন আপনি জিতে যাবেন,
শুধু নিজের মনের জোর নিয়ে যুদ্ধ করতে থাকুন, আপনি জিতবেনই।

Sunday, 26 September 2021

হাফেজ মুনির উদ্দিনের নামে বে-টার্মিনালের নামকরণে সিটি মেয়রের কাছে স্মারক লিপি।

হাফেজ মুনির উদ্দিনের নামে বে-টার্মিনালের নামকরণে সিটি মেয়রের কাছে স্মারক লিপি।। 
https://www.facebook.com/gsajmnasiruddin/posts/2208867146023937?__tn__=%2CO*F
আ জ ম নাছির উদ্দীন, চিটি মেয়র এর টাইমলাইন থেকে। ৭ অক্টোবর ২০১৮
চট্টগ্রামের হালিশহরে নির্মাণ কাজ শুরু হওয়া বে-টার্মিনালটি হযরত হাফেজ ছৈয়দ মুহাম্মদ মুনির উদ্দিন নুরুল্লাহ্ (রহঃ) নামে নামকরণের দাবী জানিয়েছেন হুজুরের ভক্ত মুরিদান ও আশেকানগণ।
এ দাবী বাস্তবায়নে আজ বিকালে চসিক মেয়র দপ্তরে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের কাছে হুজুরের দুই হাজার ভক্ত,মুরিদান স্বাক্ষরিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে মেয়রের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন হুজুরের ভক্ত মুরিদানগণ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বন্দর থানাধীন ৩৭নং হালিশহর মুনির নগর ওয়ার্ডে উপ-মহাদেশের প্রখ্যাত অলিয়ে কামেল “হালিশহর দরবার শরীফের” প্রতিষ্ঠাতা খাজায়ে বাংলা, পীরে মোকাম্মেল, সোলতানুল আউলিয়া, কুতুবুল এরশাদ হযরত হাফেজ ছৈয়দ মুহাম্মদ মুনির উদ্দিন নুরুল্লাহ্ (রহঃ) প্রকাশ হযরত হাফেজ ছাহেব হুজুর (রহঃ) শায়িত আছেন। এই ছিলছিলার লক্ষ লক্ষ মুরিদান, ভক্ত ও আশেকান সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন।
 মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ধর্মের দোহাই দিয়ে যখন অনেক দরবার শরীফ, পীর-মাশায়েখ স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিলেন এবং নিশ্চুপ ছিলেন। তখন “হালিশহর দরবার শরীফের” হযরত কাজী ছাহেব হুজুর (রহঃ) স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গঠনে প্রকাশ্যে গুরুত্বপূর্ণ ও সাহসী ভূমিকা রেখেছিলেন। পাঞ্জাবীদের ক্যাম্প ছিল “হালিশহর দরবার শরীফের” ৩০০/৪০০ গজের মধ্যে। পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ ‘বাবর’ এর গোলার আঘাতে “হালিশহর দরবার শরীফ” এর বাড়ী ঘর সহ এলাকার জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হয়। কাট্টলীর পুরাতন খামার ও ডাঙ্গারচরে হযরত কাজী ছাহেব হুজুর (রহঃ)’র খামার বাড়ী ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়কেন্দ্র। এ আশ্রয় কেন্দ্র ছিল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ অসহায় মানুষের আশ্রয়স্থল। ৭০ এর নির্বাচনে আনন্দবাজার ভোট কেন্দ্রে মরহুম এম. এ. আজিজকে নৌকা প্রতীকে প্রথম ভোট দিয়েছিলেন হযরত কাজী ছাহেব হুজুর (রহঃ)। এই দরবারের প্রজন্মগণ ধারাবাহিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে ধারণ করে অবস্থান অক্ষুন্ন রেখেছে। তবে কখনও এটাকে পুঁজি করে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করা হয়নি।
বঙ্গবন্ধু ও মহান মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে “হালিশহর দরবার শরীফের” হুজুরের উছিলায় বেশ কিছু অলৌকিক ঘটনা বা কেরামত সংঘটিত হয়েছিলো যার কয়েকটি হযরত মালেক শাহ্ হুজুর (রহঃ) মজ্জুব হালতে প্রকাশ করেছিলেন।
হযরত হাফেজ ছাহেব হুজুর (রহঃ) এর জীবদ্দশায় ১৯৪৮ থেকে ১৯৫৩ সালের মধ্যে কোন একসময়ে তৎকালীন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান “হালিশহর দরবার শরীফে” এসেছিলেন। তখন বঙ্গবন্ধুকে উদ্দেশ্য করে হযরত হাফেজ ছাহেব হুজুর (রহঃ) বলেছিলেন, “ও-বা শেখ মুজিব, তুঁই সাবধানে থাইক্যো, তুঁয়ারে দিয়েনে এই দেশের বড়ো উপকার হইবো। ১৯৯১ সালের ২০মে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা “হালিশহর দরবার শরীফে” জেয়ারত করেন।

চট্টগ্রামে নির্মাণ কাজ শুরু হওয়া বে-টার্মিনালটি হযরত হাফেজ ছৈয়দ মুহাম্মদ মুনির উদ্দিন নুরুল্লাহ (রহঃ) ’র নামানুসারে করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আপনার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।
স্মারকলিপি প্রদানের স্বপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে সিটি মেয়র বলেন, হযরত হাফেজ ছাহেব হুজুরের অসংখ্য মুরিদান,আশেকানগণ ইসলামের পবিত্র দ্বীনি দাওয়াত এবং সুফিবাদ প্রচার করে মানব জাতিকে কল্যাণ ও মুক্তির পথ দেখিয়ে গেছেন। এসব খলিফাদের মধ্যে হালিশহর দরবার শরীফের কুতুবুল আক্তাব, পীরে মোকাম্মেল, শামশুল ওলামা হযরত মৌলানা কাজী ছৈয়দ মুহাম্মদ ছেরাজুল মোস্তাফা (রহঃ) প্রকাশ হযরত কাজী ছাহেব হুজুর (রহঃ), কুতুবদিয়ার “কুতুব শরীফ দরবার” এর প্রতিষ্ঠাতা হযরত মৌলানা আব্দুল মালেক শাহ (রহঃ) প্রকাশ হযরত মালেক শাহ হুজুর (রহঃ), রাউজানের “কাগতিয়া দরবার শরীফের” প্রতিষ্ঠাতা হযরত শায়খ মৌলানা তফাজ্জল আহম্মদ মুনিরী (রহঃ), আ’মলে নাজাতের লিখক হযরত মাষ্টার মোজাম্মেল শাহ্ (রহঃ), ফটিকছড়ির হযরত মৌলানা মীর আহম্মদ মুনিরী (রহঃ) প্রকাশ হযরত বড় মৌলানা হুজুর (রহঃ), লক্ষ্যাচরের হযরত মৌলানা আলতাফুর রহমান মুনিরী (রহঃ), আনোয়ারার শাহ্ ছুফী হযরত মৌলানা আহম্মদ হাছান (রহঃ) প্রকাশ বড় হুজুর (রহঃ) ও বায়তুশ শরফের প্রতিষ্ঠাতা হযরত মৌলানা আকতার শাহ্ (রহঃ) উল্লেখযোগ্য।
তিনি আরো বলেন, দেশের ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হযরত শাহ জালাল (রা.)’র নামে নামকরণ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হযরত শাহ আমানত (রা.)’র নামে নামকরণ করা হয়েছে। ভৌগলিকগত ভাবে চট্টগ্রামের বে-টার্মিনালটি হযরত হাফেজ ছাহেব হুজুরের রওজা শরীফ হালিশহর এলাকায় নির্মাণ করা হচ্ছে। এই প্রেক্ষিতে অসংখ্য আশেকান, মুরিদানের হুজুরে পাক পীরে মোকাম্মেল, সোলতানুল আউলিয়া, কুতুবুল এরশাদ হযরত হাফেজ ছৈয়দ মুহাম্মদ মুনির উদ্দিন নুরুল্লাহ্ (রহঃ) নামানুসারে বে-টার্মিনালের নামকরণ যৌক্তিক দাবী রাখে।

স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন- এ এইচ এ মুনির উদ্দিন,সৈয়দ মো. আফতাব উদ্দিন মুনিরী,সৈয়দ মো. এনামুল হক মুনিরী,সৈয়দ মো. মিনহাজুল হক মুনিরী,সৈয়দ মো. আরমানুল হক মুনিরী,মো. এনামুল হক ও মো.হারুণ অর রশিদ চৌধুরী প্রমুখ।

معني اللغوي الاستوي

  1.اللغوي السلفي الأديب أبو عبد الرحمن عبد الله بن يحيى بن المبارك [ت237هـ]، كان عارفا باللغة والنحو، قال في كتابه "غريب ...