Thursday, 25 April 2019

নফল নামাজ জামাতে পড়া

Nurul Alam হানাফী মাযহাবে সর্বজন মান্য নির্ভরযোগ্য ফতওয়ার কিতাব ‘ফতওয়া আল হিন্দিইয়্যাহ’ তথা ‘ফতওয়া আলমগীরী’ কিতাবের তবআতুল কুবরা আল আমিরিইয়্যাহ মিশরের ছাপা ১ম জিলদ ৮৩ নং পৃষ্ঠা, দারুল কুতুব আল ইলমিইয়্যাহ বইরূতের ছাপা ১ম জিলদ ৯২ নং পৃষ্ঠা, উর্দু অনুবাদ সাইয়্যিদ আমির আলী ১ম জিলদ ২৯৯ নং পৃষ্ঠায় আছে,
ﺍﻟﺘَّﻄَﻮُّﻉُ ﺑِﺎﻟْﺠَﻤَﺎﻋَﺔِ ﺇﺫَﺍ ﻛَﺎﻥَ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﺒِﻴﻞِ ﺍﻟﺘَّﺪَﺍﻋِﻲ ﻳُﻜْﺮَﻩُ ﻭَﻓِﻲ ﺍﻟْﺄَﺻْﻞِ ﻟِﻠﺼَّﺪْﺭِ ﺍﻟﺸَّﻬِﻴﺪِ ﺃَﻣَّﺎ ﺇﺫَﺍ ﺻَﻠَّﻮْﺍ ﺑِﺠَﻤَﺎﻋَﺔٍ ﺑِﻐَﻴْﺮِ ﺃَﺫَﺍﻥٍ ﻭَﺇِﻗَﺎﻣَﺔٍ ﻓِﻲ ﻧَﺎﺣِﻴَﺔِ ﺍﻟْﻤَﺴْﺠِﺪِ ﻟَﺎ ﻳُﻜْﺮَﻩُ، ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺷَﻤْﺲُ ﺍﻟْﺄَﺋِﻤَّﺔِ ﺍﻟْﺤَﻠْﻮَﺍﻧِﻲُّ : ﺇﻥْ ﻛَﺎﻥَ ﺳِﻮَﻯ ﺍﻟْﺈِﻣَﺎﻡِ ﺛَﻠَﺎﺛَﺔٌ ﻟَﺎ ﻳُﻜْﺮَﻩُ ﺑِﺎﻟِﺎﺗِّﻔَﺎﻕِ ﻭَﻓِﻲ ﺍﻟْﺄَﺭْﺑَﻊِ ﺍﺧْﺘَﻠَﻒَ ﺍﻟْﻤَﺸَﺎﻳِﺦُ ﻭَﺍﻟْﺄَﺻَﺢُّ ﺃَﻧَّﻪُ ﻳُﻜْﺮَﻩُ . ﻫَﻜَﺬَﺍ ﻓِﻲ ﺍﻟْﺨُﻠَﺎﺻَﺔِ . ‏( ﻓﺘﺎﻭﻯ ﺍﻟﻬﻨﺪﻳﺔ ﺝ ١ ﺹ ٨٣ )
অনুবাদঃ ঘোষনা দিয়ে নফল নামাজ জামাতে পড়া মাকরূহ তাহরীমী। সদরুশ শহীদ (রঃ)’র ‘আছল’ কিতাবে আছে, যদি কেউ আযান ইকামত ছাড়া মসজিদের এক কোনায় (দু’এক জন মিলে) জামাত করে তবে মাকরূহ হবেনা। ইমাম শামসুল আইয়িম্মাহ হালওয়ানী (রঃ) বলেন, ইমাম ছাড়া ৩ জন মুকতাদি হলে সকলের ঐক্যমতে মাকরূহ হবেনা আর ৪ জন হয়ে গেলে এখতেলাফ আছে, কিন্তু বিশুদ্ধ মতে মাকরূহ তাহরীমী হবে। যেমন তা খুলাছা কিতাবে আছে ।
** ‘আদ দুররুল মুখতার শরহু তানবীরুল আবসার ওয়া জামিউল বিহার’ দারুল কুতুব আল ইলমিইয়্যাহ মিশরের ছাপা ৯৫ নং পৃষ্ঠায় আছে,
( ﺍﻟﺘَّﻄَﻮُّﻉَ ﺑِﺠَﻤَﺎﻋَﺔٍ ﺧَﺎﺭِﺝَ ﺭَﻣَﻀَﺎﻥَ ‏) ﺃَﻱْ ﻳُﻜْﺮَﻩُ ﺫَﻟِﻚَ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﺒِﻴﻞِ ﺍﻟﺘَّﺪَﺍﻋِﻲ، ﺑِﺄَﻥْ ﻳَﻘْﺘَﺪِﻱَ ﺃَﺭْﺑَﻌَﺔٌ ﺑِﻮَﺍﺣِﺪٍ . ‏( ﺩﺭﺍﻟﻤﺨﺘﺎﺭ ﺹ ٩٥ )
অনুবাদঃ রামাদ্বান মাস ছাড়া (ব্যাখ্যা নিচে দেখুন) ঘোষণা দিয়ে ইমামের সাথে চারজন মুক্তাদি মিলে নফল নামাজের জামাত করা মাকরূহ তাহরীমী।
** ইমাম আলা উদ্দিন আবু বকর ইবনে মাসউদ আল কাসানী আল হানাফী (রঃ) কর্তৃক লিখিত ‘বাদা্যেউস সানায়ে’ কিতাবের ১ম জিলদ ২৮০ নং পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে,
ﻭَﻟَﺎ ﺗُﺼَﻠَّﻰ ﻧَﺎﻓِﻠَﺔٌ ﻓِﻲ ﺟَﻤَﺎﻋَﺔٍ ﺇﻟَّﺎ ﻗِﻴَﺎﻡَ ﺭَﻣَﻀَﺎﻥَ . ‏( ﺑﺪﺍﺋﻊ ﺍﻟﺼﻨﺎﺋﻊ ﻋﻠﻰ ﺗﺮﺗﻴﺐ ﺍﻟﺸﺮﺍﺋﻊ ﺝ ١ ﺹ ٢٨٠ )
অনুবাদঃ রমাদ্বান শরীফের কিয়ামুল লাইল ছাড়া অন্য কোন নফল নামাজ জামাতে পড়বেনা।
** ইমাম মুহম্মদ ইবনে ঈসমাঈল আত তাহতাবী (রঃ) কর্তৃক লিখিত ‘হাশিয়াতুত তাহতাবী আলা মারাকিউল ফালাহ’ দারুল কুতুব আল ইলমিইয়্যাহ কিতাবের ২৮৬ নং পৃষ্ঠায় বলেন,
ﻭﻫﻰ ‏( ﺍﻟﺠﻤﺎﻋﺔ ‏) ﺳﻨﺔ ﻋﻴﻦ ﺍﻻ ﻓﻲ ﺍﻟﺘﺮﺍﻭﻳﺢ ﻓﺎﻧﻬﺎ ﻓﻴﻬﺎ ﺳﻨﺔ ﻛﻔﺎﻳﺔ ﻭﻭﺗﺮ ﺭﻣﻀﺎﻥ ﻓﺎﻧﻬﺎ ﻓﻴﻪ ﻣﺴﺘﺤﺒﺔ ﻭ ﺍﻣﺎ ﻭﺗﺮ ﻏﻴﺮﻩ ﻭﺗﻄﻮﻋﻪ ﻓﻤﻜﺮﻭﻫﺔ ﻓﻴﻬﻤﺎ ﻋﻠﻰ ﺳﺒﻴﻞ ﺍﻟﺘﺪﺍﻋﻲ . ‏( ﺣﺎﺷﻴﺔ ﺍﻟﻄﺤﻄﺎﻭﻱ ﻋﻠﻰ ﻣﺮﻗﻲ ﺍﻟﻔﻼﺡ ﺹ ٢٨٦
অনুবাদঃ পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামায জামায়াতে পড়া সুন্নতে মুআক্কাদাহ। তারাবীহের জামায়াত সুন্নতে মুয়াক্কাদায়ে কিফায়া। আর রমাদ্বান শরীফে বিতর নামায জামায়াতে পড়া মুস্তাহাব। সুতরাং রমাদ্বান শরীফ ব্যতীত বিতরসহ অন্যান্য যাবতীয় নফল নামায ঘোষণা দিয়ে জামায়াতে পড়া মাকরূহে তাহরীমী।(হাশিয়াতুত তাহতাবী আলা মারাকিউল ফালাহ পৃষ্ঠা ২৮৬)
** ইমাম বদরুদ্দীন আইনী (রঃ) তার লিখিত হেদায়ার শরাহ ‘বেনায়া’ কিতাবের (দারুল কুতুব আল ইলমিইয়্যাহ) ২য় জিলদ ৫৫৮ নং পৃষ্ঠায় লিখেছেন,
ﻭﺻﻼﺓ ﺍﻟﻨﻔﻞ ﺑﺎﻟﺠﻤﺎﻋﺔ ﻣﻜﺮﻭﻫﺔ ﻣﺎ ﺧﻼ ﻗﻴﺎﻡ ﺭﻣﻀﺎﻥ ﻭﺻﻼﺓ ﺍﻟﻜﺴﻮﻑ ﻷﻧﻪ ﻟﻢ ﻳﻔﻌﻠﻬﺎ ﺍﻟﺼﺤﺎﺑﺔ، ﻭﻟﻮ ﻓﻌﻠﻮﺍ ﻻﺷﺘﻬﺮﺕ، ﻛﺬﺍ ﺫﻛﺮﻩ ﺍﻟﻮﻟﻮﺍﻟﺠﻲ . ‏( ﺍﻟﺒﻨﺎﻳﺔ ﺷﺮﺡ ﺍﻟﻬﺪﺍﻳﺔ ﺝ ٢ ﺹ ٥٥٨ )
অনুবাদঃ রমাদ্বান শরীফের কিয়ামুল লাইল (তারাবীহ) ও ছালাতুল কুসূফ ব্যতীত সকল নফল নামায জামাতে পড়া মাকরূহে তাহরীমী। কেননা এটা ছাহাবায়ে কেরামগণ করেন নি। কেউ যদি তা করে থাকে তবে তা বিধি সম্মত হবেনা। যেমন তা ওয়াল ওয়ালিজি নিজ কিতাবে বলেছেন। (আল বেনায়া শরহুল হেদায়া ২য় জিলদ ৫৫৮ নং পৃষ্ঠা)

# তাহাজ্জুদসহ সকল প্রকার নফল নামাযের জামাত কাউকে ডাকা ছাড়া ইমাম ব্যতিত দু’জন হলে জায়েজ, তিনজন হলে মতভেদ আছে, চারজন হলে জায়েজ নেই সর্বসম্মতিক্রমে।

فى طحطاوى على مراقى الفلاح- ( ويوتر بجماعة ) استحبابا ( في رمضان فقط ) عليه إجماع المسلمين لأنه نقل من وجه والجماعة في النقل في غير التراويح مكروهة فالاحتياط تركها في الوتر خارج رمضان وعن شمس الأئمة أن هذا فيما كان على سبيل التداعي أما لو اقتدى واحد بواحد أو اثنان بواحد لا يكره وإذا اقتدى ثلاثة بواحد اختلف فيه وإذا اقتدى أربعة بواحد كره اتفاقا (حشية الطحطاوى على مراقى الفلاح، كتاب الصلاة، باب الوتر واحكامه-386)

তথ্যসূত্র

১-তাহতাবী আলা মারাকিল ফালাহ-৩৮৬

২-আল বাহরুর রায়েক-১/৩৪৫

৩-ফাতওয়া শামী (নুমানিয়া প্রকাশনী)-১/৩৭১

৪-ফাতওয়া তাতারখানিয়া-(করাচী প্রকাশনী)-১/৬৭০

Wednesday, 24 April 2019

শবে বরাত

ﻭﻋﻦ ﻣﻌﺎﺫ ﺑﻦ ﺟﺒﻞ، ﻋﻦ اﻟﻨﺒﻲ - ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ - ﻗﺎﻝ:
" «ﻳﻄﻠﻊ اﻟﻠﻪ ﺇﻟﻰ ﺟﻤﻴﻊ ﺧﻠﻘﻪ ﻟﻴﻠﺔ اﻟﻨﺼﻒ ﻣﻦ ﺷﻌﺒﺎﻥ، ﻓﻴﻐﻔﺮ ﻟﺠﻤﻴﻊ ﺧﻠﻘﻪ، ﺇﻻ ﻟﻤﺸﺮﻙ، ﺃﻭ ﻣﺸﺎﺣﻦ» ".
ﺭﻭاﻩ اﻟﻄﺒﺮاﻧﻲ ﻓﻲ اﻟﻜﺒﻴﺮ ﻭاﻷﻭﺳﻂ ﻭﺭﺟﺎﻟﻬﻤﺎ ﺛﻘﺎﺕ

Sunday, 21 April 2019

শবে বরাত

শবে বরাত সমর্থনে হাদীস সমূহ থেকে -২২ টি হাদীস:-
যাদের শবে বরাত নিয়ে সমস্যা রয়েছে তারা
একটু চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন।
__________________________________
(১)
ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﻋَﻦِ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ : ﻫَﻞ
ﺗﺪﺭﻳﻦ ﻣَﺎ ﻫَﺬِﻩ ﺍﻟﻠَّﻴْﻞ؟ ﻳَﻌْﻨِﻲ ﻟَﻴْﻠَﺔَ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ ﻗَﺎﻟَﺖْ :
ﻣَﺎ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓَﻘَﺎﻝَ : ﻓِﻴﻬَﺎ ﺃَﻥْ ﻳُﻜْﺘَﺐَ ﻛﻞُّ ﻣَﻮْﻟُﻮﺩٍ ﻣِﻦْ
ﺑَﻨِﻲ ﺁﺩَﻡَ ﻓِﻲ ﻫَﺬِﻩِ ﺍﻟﺴَّﻨَﺔِ ﻭَﻓِﻴﻬَﺎ ﺃَﻥْ ﻳُﻜْﺘَﺐَ ﻛُﻞُّ ﻫَﺎﻟِﻚٍ ﻣِﻦْ ﺑَﻨِﻲ
ﺁﺩَﻡَ ﻓِﻲ ﻫَﺬِﻩِ ﺍﻟﺴَّﻨَﺔِ ﻭَﻓِﻴﻬَﺎ ﺗُﺮْﻓَﻊُ ﺃَﻋْﻤَﺎﻟُﻬُﻢْ ﻭَﻓِﻴﻬَﺎ ﺗَﻨْﺰِﻝُ ﺃَﺭْﺯَﺍﻗُﻬُﻢْ
ﻓَﻘَﺎﻟَﺖْ : ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣَﺎ ﻣِﻦْ ﺃَﺣَﺪٍ ﻳَﺪْﺧُﻞُ ﺍﻟْﺠَﻨَّﺔَ ﺇِﻟَّﺎ ﺑِﺮَﺣْﻤَﺔِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺗَﻌَﺎﻟَﻰ؟ ﻓَﻘَﺎﻝَ : ﻣَﺎ ﻣِﻦْ ﺃﺣﺪ ﻳﺪْﺧﻞ ﺍﻟْﺠﻨَّﺔ ﺇِﻟَّﺎ ﺑﺮﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ
ﺗَﻌَﺎﻟَﻰ . ﺛَﻠَﺎﺛًﺎ . ﻗُﻠْﺖُ : ﻭَﻟَﺎ ﺃَﻧْﺖَ ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ؟ ﻓَﻮَﺿَﻊَ ﻳَﺪَﻩُ
ﻋَﻠَﻰ ﻫَﺎﻣَﺘِﻪِ ﻓَﻘَﺎﻝَ : ﻭَﻟَﺎ ﺃَﻧَﺎ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻥْ ﻳَﺘَﻐَﻤَّﺪَﻧِﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﺮَﺣْﻤَﺘِﻪِ .
ﻳَﻘُﻮﻟُﻬَﺎ ﺛَﻠَﺎﺙَ ﻣَﺮَّﺍﺕٍ
উম্মুল মুমীনিন হযরত আয়েশা সিদ্দিকা
রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি রাসুলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা
করেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম
ইরশাদ করেন, তুমি কি এ রাত তথা শাবানের ১৫তম
রজনী সম্পর্কে কিছু জান? তিনি আরজ করলেন এ
রাতে কি রয়েছে? রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি
ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, এ রাতে যে সকল বনী
আদম জন্মগ্রহন করবে তাদের নাম চূড়ান্ত করা হবে
আর যে সকল বনী আদম মৃত্যুবরন করবে তাদের নামও
লিপিবদ্ধ করা হবে। এ রাতে তদের পুরো বছরের
আমলসমূহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে পেশ করা হবে
আর এ রাতে তাদের রিজিক/জিবিকা নির্ধারণ
করা হবে। অতপর তিনি আরজ করলেন, নিশ্চই
আল্লাহর অনুগ্রহ ব্যতীত কেও জান্নাতে প্রবেশ
করতে পারবেনা, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি
ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, নিশ্চই আল্লাহর অনুগ্রহ
ব্যতীত কেও জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেনা
তিনি এ বাক্য তিনবার বলেন। অতপর তিনি আরজ
করলেন, আপনিও হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু
আলায়হি ওয়াসাল্লাম? রাসুল সাল্লাল্লাহু
আলায়হি ওয়াসাল্লাম স্বীয় হাত মুবারক মাথা
মুবারকের উপর রেখে ইরশাদ করেন, নিশ্চই আমি
আল্লাহর রহমতের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ করব।
এ বাক্য তিনি তিনবার ইরশাদ করেন।
— বায়হাক্বী শরীফ-দাওয়াতে কবীর হাদীস
নং-৫৩০; মিশকাত শরীফ-১১৫ পৃঃ হাদীস নং-১৩০৫
(২)
ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ، ﻗَﺎﻟَﺖْ : ﻓَﻘَﺪْﺕُ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺫَﺍﺕَ
ﻟَﻴْﻠَﺔٍ، ﻓَﺨَﺮَﺟْﺖُ ﺃَﻃْﻠُﺒُﻪُ، ﻓَﺈِﺫَﺍ ﻫُﻮَ ﺑِﺎﻟْﺒَﻘِﻴﻊِ ﺭَﺍﻓِﻊٌ ﺭَﺃْﺳَﻪُ ﺇِﻟَﻰ
ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﺀِ . ﻓَﻘَﺎﻝَ : ﻳَﺎ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔُ ﺃَﻛُﻨْﺖِ ﺗَﺨَﺎﻓِﻴﻦَ ﺃَﻥْ ﻳَﺤِﻴﻒَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻋَﻠَﻴْﻚِ ﻭَﺭَﺳُﻮﻟُﻪُ؟ ﻗَﺎﻟَﺖْ، ﻗَﺪْ ﻗُﻠْﺖُ : ﻭَﻣَﺎ ﺑِﻲ ﺫَﻟِﻚَ، ﻭَﻟَﻜِﻨِّﻲ
ﻇَﻨَﻨْﺖُ ﺃَﻧَّﻚَ ﺃَﺗَﻴْﺖَ ﺑَﻌْﺾَ ﻧِﺴَﺎﺋِﻚَ، ﻓَﻘَﺎﻝَ : ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺗَﻌَﺎﻟَﻰ ﻳَﻨْﺰِﻝُ
ﻟَﻴْﻠَﺔَ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﺀِ ﺍﻟﺪُّﻧْﻴَﺎ ﻓَﻴَﻐْﻔِﺮُ ﻟِﺄَﻛْﺜَﺮَ ﻣِﻦْ
ﻋَﺪَﺩِ ﺷَﻌَﺮِ ﻏَﻨَﻢِ ﻛَﻠْﺐٍ
উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দিকা
রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেনন,
একরাতে আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলায়হি
ওয়াসাল্লামকে ঘরে পেলামনা বা তাঁর খোঁজে বের
হলাম। তখন দেখলাম তিনি জান্নাতুল বাক্বী
কবরস্থানে আসমানেকে মাথা মুবারক উত্তোলন
করে অবস্থান করছেন। আমাকে সেখানে দেখে নবী
করীম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম বললেন-
হে আয়েশা! তুমি কি এ ভয় করছ যে, আল্লাহ তাঁর
রসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম তোমার
প্রতি অবিচার করবে? তিনি আরজ করলেন আপনি
বলছেন, এমন কিছু আসলে আমার মনে নেই বরং; আমি
ধারণা করেছি যে, আপনি আপনার কোন স্ত্রীর
হুজরায় তাশরীফ নিয়েছেন। তখন নবী করীম
সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করলেন-
নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা শা’বানের পনেরতম রাতে
প্রথম আসমানে তাশরীফ আনেন। অতঃপর বনী ক্বলব
এর মেষগুলোর লোম এর সংখ্যার চেয়েও অধিক
বান্দাকে ক্ষমা করে দেন।
— ইবনে মাজা শরীফ,হাদীস নং-১৩৮৯; জামে আত
তিরমিযি-৭৩৯; মুসনাদে আ’ব্দ বিন হুমায়দ-১৫০৯;
মুসান্নাফে আবী শায়বাহ-২৯৮৫৮; মুসনাদে
আহমদ-২৬০১৮,২৬০৬০; বায়হাক্বী ফাজায়িলুল
আওকাত-২৮; শো’আবুল ঈমান-৩৫৪৩,৩৫৪৪,৩৫৪৫; আন
নুযুল দারে ক্বুতনী-৯০; বগভী শরহুস সুন্নাহ-৯৯২;
সুয়ুতী তাফসীরে দুররে মানসুর, সুরা দুখান-৭:৪০২;
তাফসীরে রূহুল মা’আনী, সুরা দুখান,
১৮:৪২৩/১৩:১১০; তাফসীরে কাশশাফ, সুরা দুখান,
৪:২৭০; তাফসীরে কবীর, সুরা দুখান ২৭:৬৫৩ [1]
(৩)
ﻋَﻦْ ﻋَﻠِﻲِّ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻃَﺎﻟِﺐٍ، ﻗَﺎﻝَ : ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ
ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ : ” ﺇِﺫَﺍ ﻛَﺎﻧَﺖْ ﻟَﻴْﻠَﺔُ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ، ﻓَﻘُﻮﻣُﻮﺍ
ﻟَﻴْﻠَﻬَﺎ ﻭَﺻُﻮﻣُﻮﺍ ﻧَﻬَﺎﺭَﻫَﺎ، ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﻨْﺰِﻝُ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻟِﻐُﺮُﻭﺏِ ﺍﻟﺸَّﻤْﺲِ
ﺇِﻟَﻰ ﺳَﻤَﺎﺀِ ﺍﻟﺪُّﻧْﻴَﺎ، ﻓَﻴَﻘُﻮﻝُ : ﺃَﻟَﺎ ﻣِﻦْ ﻣُﺴْﺘَﻐْﻔِﺮٍ ﻟِﻲ ﻓَﺄَﻏْﻔِﺮَ ﻟَﻪُ ﺃَﻟَﺎ
ﻣُﺴْﺘَﺮْﺯِﻕٌ ﻓَﺄَﺭْﺯُﻗَﻪُ ﺃَﻟَﺎ ﻣُﺒْﺘَﻠًﻰ ﻓَﺄُﻋَﺎﻓِﻴَﻪُ ﺃَﻟَﺎ ﻛَﺬَﺍ ﺃَﻟَﺎ ﻛَﺬَﺍ، ﺣَﺘَّﻰ
ﻳَﻄْﻠُﻊَ ﺍﻟْﻔَﺠْﺮُ
হযরত আলী ইবনে আবী তালিব রাদ্বিল্লাহু আনহু
হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলায়হি অয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,যখন শাবানের
পনেরতম রাত হয়, তখন তোমরা রাতে নামাজ পড় এবং
রোজা রাখ। কেননা ঐ দিন সূর্যাস্তের সময় আল্লাহ
তা’আলা প্রথম আসমানে তাশরীফ এনে বান্দাদের
উদ্দেশ্যে বলেন- ক্ষমা প্রার্থনাকারী কেও আছ,
আমি তাকে ক্ষমা করব, রিজিক আন্বেষণকারী
কেও আছ, আমি তাকে রিজিক দিব, আসুস্থ কেও আছ
আমি তাকে সুস্থতা দান করব, এভাবে অন্যান্য
বিষয়েও বলতে থাকেন ফজর পর্যন্ত।
— ইবনে মাজাহ ,হাদীস নং-১৩৮৮; ফাকেহী
আখবারে মক্কা-১৮৩৭,৩:৮৪; বায়হাক্বী
ফাজায়িলুল আওকাত-২৪; শো’আবুল ঈমান-৩৫৪২;
মিশকাত শরীফ-১১৫ পৃঃ, হাদীস নং-১৩০৮; কানযুল
উম্মাল-৩৫১৭৭; তাফসীরে রূহুল মা’আনী, সুরা দুখান,
১৮:৪২৪/১৩:১১০; তাফসীরে ক্বুরতুবী, সুরা দুখান
১৬:১২৭
(৪)
ﻋَﻦْ ﻣُﻌَﺎﺫِ ﺑْﻦِ ﺟَﺒَﻞٍ، ﻋَﻦِ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻗَﺎﻝَ : ”
ﻳَﻄْﻠُﻊُ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻰ ﺧَﻠْﻘِﻪِ ﻓِﻲ ﻟَﻴْﻠَﺔِ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ ﻓَﻴَﻐْﻔِﺮُ
ﻟِﺠَﻤِﻴﻊِ ﺧَﻠْﻘِﻪِ ﺇِﻟَّﺎ ﻟِﻤُﺸْﺮِﻙٍ ﺃَﻭْ ﻣُﺸَﺎﺣِﻦٍ
হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে
বর্ণিত, তিনি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলায়হি
ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন- আল্লাহ তায়ালা
শাবানের পনেরতম রাতে স্বীয় সৃষ্টির প্রতি
রহমতের দৃষ্টি নিক্ষেপ করেন এবং মুশরিক, হিংসুক
ব্যতীরেকে সবাইকে ক্ষমা করেছেন।
— তাবরানী মু’জামুল আউসাত হাদীস নং-৬৭৭৬;
মু’জামুল কবীর-২০:১০৮,২১৫, মুসনাদে
শামেয়ীন-২০৩,২০৫,৩৫৭০; ইবনে আসেম আস
সুন্নাহ-৫১২; সহীহ ইবনে হিব্বান- ৫৬৬৫;
বায়হাক্বী ফাজায়িলুল আওকাত-২২; শো’আবুল
ঈমান হাদীস নং-৩৫৫২, ৬২০৪; দারে ক্বুতনী আন
নুযুল-৭৭; হায়ছামী মাজমাউজ যাওয়ায়িদ-১২৯৬০;
আলবানী সহীহ আত তারগীব ওয়াত
তাহরিব-১০২৬,২৭৬৭; সুয়ুতী তাফসীরে দুররে
মানসুর, সুরা দুখান-৭:৪০৩, কানযুল উম্মাল-৩৫১৮০ [2]
(৫)
ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻣُﻮﺳَﻰ ﺍﻟْﺄَﺷْﻌَﺮِﻱِّ، ﻋَﻦْ ﺭَﺳُﻮﻝِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ
ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ : ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻟَﻴَﻄَّﻠِﻊُ ﻓِﻲ ﻟَﻴْﻠَﺔِ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ
ﻓَﻴَﻐْﻔِﺮُ ﻟِﺠَﻤِﻴﻊِ ﺧَﻠْﻘِﻪِ ﺇِﻟَّﺎ ﻟِﻤُﺸْﺮِﻙٍ ﺃَﻭْ ﻣُﺸَﺎﺣِﻦٍ
হযরত আবু মুসা আশয়ারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে
বরনিত, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি
ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন- নিশ্চই আল্লাহ
তা’আলা শাবানের পনেরতম রাতে সৃষ্টির প্রতি
কৃপা দৃষ্টি দেন এবং সকলকে ক্ষমা করেন, মুশরিক
এবং বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীরেকে।
— ইবনে মাজা শরীফ হাদীস নং-১৩৯০; ইবনে
আসেম আস সুন্নাহ-৫১০; বায়হাক্বী ফাজায়িলুল
আওকাত-২৯; দারে ক্বুতনী আন নুযুল-৯৪; কানযুল
উম্মাল-৩৫১৭৫; আলবানী সহীহুল জামে-১৮১৯] **
হাদীসটি হাসান/ সহীহ লিগাইরিহি
(৬)
ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺑَﻜْﺮٍ ﻗَﺎﻝَ : ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ :
ﺇِﺫَﺍ ﻛَﺎﻥَ ﻟَﻴْﻠَﺔُ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ ﻳَﻨْﺰِﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺗَﺒَﺎﺭَﻙَ ﻭَﺗَﻌَﺎﻟَﻰ ﺇِﻟَﻰ
ﺳَﻤَﺎﺀِ ﺍﻟﺪُّﻧْﻴَﺎ ﻓَﻴَﻐْﻔِﺮُ ﻟِﻌِﺒَﺎﺩِﻩِ ﺇِﻟَّﺎ ﻣَﺎ ﻛَﺎﻥَ ﻣِﻦْ ﻣُﺸْﺮِﻙٍ ﺃَﻭْ ﻣُﺸَﺎﺣِﻦٍ
ﻟِﺄَﺧِﻴﻪِ
হযরত আবু বকর সিদ্দীক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে
বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলায়হি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,যখন পনেরই
শাবানের রাত হয়, তখন আল্লাহ তায়ালা প্রথম
আসমানে তশরীফ আনেন এবং সকল বান্দাকে ক্ষমা
করে দেন, মুশরিক ও অপর ভাইয়ের প্রতি বিদ্বেষ
পোষণকারী ব্যতীত।
— মুসনাদে বাযযার ১:২০৬, হাদীস নং-৮০; ইবনে
আসেম আস সুন্নাহ-৫০৯; দারে ক্বুতনী আন
নুযুল-৭৫,৭৬; ইবনে খুযাইমাহ আত তাওহীদ-৪৮; আলী
মুরুযী মুসনাদে আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ)-১০৪; আবু
নুয়াইম তারিখে ইস্পাহান-২:২; হায়ছামী
মাজমাউজ যাওয়ায়িদ-১২৯৫৭; সুয়ুতী তাফসীরে
দুররে মানসুর, সুরা দুখান-৭:৪০৩ [3]
(৭)
ﻭﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﺇﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﻘْﻀِﻲ ﺍﻟْﺄَﻗْﻀِﻴَﺔَ ﻓِﻲ ﻟَﻴْﻠَﺔِ
ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ، ﻭَﻳُﺴَﻠِّﻤُﻬَﺎ ﺇِﻟَﻰ ﺃَﺭْﺑَﺎﺑِﻬَﺎ ﻓِﻲ ﻟَﻴْﻠَﺔِ ﺍﻟْﻘَﺪْﺭِ
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু
হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- আল্লাহ তায়ালা
শ’বানের পনেরতম রাতে সিদ্ধান্তসমুহ চুড়ান্ত করেন
এবং শবে ক্বদরে তা বাস্তবায়নকারী
ফেরেশতাদের সোপর্দ করেন।
— তাফসীরে খাজিন ৪র্থ খণ্ড,পৃষ্ঠাঃ১১২/১১৬;
তাফসীরে বগভী আল ইহিয়ায়ুত তুরাস, ৪:১৭৪, সুরা
দুখান; তাফসীরে ক্বুরতুবী, ১৬:১২৭, সুরা দুখান;
ইবনে আ’দিল আল লুবাব ফি উলুমিল কিতাব-১৭:৩১১
(৮)
ﻋَﻦِ ﺍﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺮَ ﻗَﺎﻝَ : ” ﺧَﻤْﺲُ ﻟَﻴَﺎﻝٍ ﻟَﺎ ﺗُﺮَﺩُّ ﻓِﻴﻬِﻦَّ ﺍﻟﺪُّﻋَﺎﺀَ : ﻟَﻴْﻠَﺔُ
ﺍﻟْﺠُﻤُﻌَﺔِ، ﻭَﺃَﻭَّﻝُ ﻟَﻴْﻠَﺔٍ ﻣِﻦْ ﺭَﺟَﺐٍ، ﻭَﻟَﻴْﻠَﺔُ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ،
ﻭَﻟَﻴْﻠَﺘَﻲِ ﺍﻟْﻌِﻴﺪَﻳْﻦِ ”
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে
বর্ণিত, তিনি বলেন এমন পাঁচটি রাত আছে যে
রাতগুলোয় দু’আ ফেরত হয়না। ওইগুলো হল- জুমু’আর
রাত, রজব মাসের প্রথম রাত, শ’বান মাসের ১৪
তারিখ দিবাগত রাত এবং দুই ঈদের রাত অর্থাৎ ঈদুল
ফিতর ও ঈদুল আযহার রাত।
— মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক, কিতাবুস সিয়াম
হাদীস নং-৭৯২৭; বায়হাক্বী শো’আবুল ঈমান-৩৪৪০;
ফাজায়িলুল আওকাত-১৪৯
(৯)
ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ ﺍﻟﻠﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮٍﻭ، ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ
ﻗَﺎﻝَ : ” ﻳَﻄَّﻠِﻊُ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﺇِﻟَﻰ ﺧَﻠْﻘِﻪِ ﻟَﻴْﻠَﺔَ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ
ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ ﻓَﻴَﻐْﻔِﺮُ ﻟِﻌِﺒَﺎﺩِﻩِ ﺇِﻟَّﺎ ﻟِﺎﺛْﻨَﻴْﻦِ : ﻣُﺸَﺎﺣِﻦٍ، ﻭَﻗَﺎﺗِﻞِ ﻧَﻔْﺲٍ
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু
হতে বর্ণিত,তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলায়হি অয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- আল্লাহ আযযা
ওয়া জাল্লা শা’বানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত
রাতে স্বীয় মাখলুকের প্রতি রহমতের দৃষ্টি
নিক্ষেপ করেন। অতঃপর দু শ্রেণীর বান্দা ব্যতীত
সকল বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। তারা হল মুসলমান
ভাইয়ের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ পোষণকারী এবং
অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যাকারী।
— মুসনাদে আহমদ-৬৬৪২; আত তাগরীব; হায়ছামী
মাজমাউজ যাওয়ায়িদ-১২৯৬১; তাফসীরে রূহুল
মা’আনী, সুরা দুখান, ১৮:৪২৩/১৩:১১০ [4]
(১০)
ﻋَﻦْ ﻛَﺜِﻴﺮِ ﺑْﻦِ ﻣُﺮَّﺓَ : ﻋَﻦِ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗﺎﻝ : ”
ﻓِﻲ ﻟَﻴْﻠَﺔِ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ ﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﻟِﺄَﻫْﻞِ ﺍﻟْﺄَﺭْﺽِ
ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟْﻤُﺸْﺮِﻙَ ﻭَﺍﻟْﻤُﺸَﺎﺣِﻦَ “. ” ﻫَﺬَﺍ ﻣُﺮْﺳَﻞٌ ”
হযরত কাসীর বিন মুররাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে
বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি
অয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- শাবানের মধ্য
রাত্রিতে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা মুশরিক ও
কলহকারী ব্যতীত সকল দুনিয়াবাসীদের ক্ষমা করে
দেন।
— বায়হাক্বী শো’আবুল ঈমান হাদীস নং-৩৫৫০;
আলবানী সহীহ আত তারগীব ওয়াত তাহরিব-২৭৭০
[5]
(১১)
ﻋَﻦْ ﻛَﺜِﻴﺮِ ﺑْﻦِ ﻣُﺮَّﺓَ ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﻄَّﻠِﻊُ ﻟَﻴْﻠَﺔَ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ ﺇِﻟَﻰ
ﺍﻟْﻌِﺒَﺎﺩِ، ﻓَﻴَﻐْﻔِﺮُ ﻟِﺄَﻫْﻞِ ﺍﻟْﺄَﺭْﺽِ ﺇِﻟَّﺎ ﺭَﺟُﻠًﺎ ﻣُﺸْﺮِﻛًﺎ ﺃَﻭْ ﻣُﺸَﺎﺣِﻨًﺎ
হযরত কাসীর বিন মুররাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে
বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি
অয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- শাবানের মধ্য
রাত্রিতে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা আল্লাহ
তায়ালা তাঁর সৃষ্টির প্রতি বিশেষ দৃষ্টি নিক্ষেপ
করেন এবং মুশরিক ও কলহকারী ব্যতীত সকল
ক্ষমাপ্রার্থী দুনিয়াবাসীদের ক্ষমা করে দেন।
— মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক, কিতাবুস
সাওম-৭৯২৩; মুসান্নাফে আবী শায়বাহ-২৯৮৫৯; আন
নুযুল দারে ক্বুতনী-৮২, ৮৩, ৮৪; বায়হাক্বী শো’আবুল
ঈমান হাদীস নং ৩৫৫০, ৩৫৪৯
(১২)
ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺛَﻌْﻠَﺒَﺔَ ﺍﻟْﺨُﺸَﻨِﻲِّ، ﻋَﻦِ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ،
ﻗَﺎﻝَ : ” ﺇِﺫَﺍ ﻛَﺎﻥَ ﻟَﻴْﻠَﺔُ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ ﺍﻃَّﻠَﻊَ ﺍﻟﻠﻪُ ﺇِﻟَﻰ ﺧَﻠْﻘِﻪِ
ﻓَﻴَﻐْﻔِﺮُ ﻟِﻠْﻤُﺆْﻣِﻦِ، ﻭَﻳُﻤْﻠِﻲ ﻟِﻠْﻜَﺎﻓِﺮِﻳﻦَ، ﻭَﻳَﺪَﻉُ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟْﺤِﻘْﺪِ ﺑِﺤِﻘْﺪِﻫِﻢْ
ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﺪَﻋُﻮﻩُ
হযরত আবু সা’অলাবা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে
বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি
অয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- যখন পনেরই শাবানের
রাত হয়,আল্লাহ তায়ালা তাঁর সৃষ্টির প্রতি বিশেষ
দৃষ্টি নিক্ষেপ করেন এবং মুমিনদের ক্ষমা করে
দেন ও কাফিরদের অবকাশ দেন। আর হিংসা
বিদ্বেষ পোষণকারীদের আহ্বান করেন অবকাশ দেন
(তাওবার জন্য) যতক্ষণ তাদের হিংসার কারণে
তারা তার নিকট তওবা না করে।
— বায়হাক্বী শো’আবুল ঈমান হাদীস নং-৩৫৫১;
ইবনে আসেম আস সুন্নাহ-৫১০; তাবরানী আল মু’জামুল
কবীর ২২: ২২৩, ২২৪, হাদীস নং ৫৯০, ৫৯৩;
বায়হাক্বী আস সুনানুস সগীর-১৪২৬; ফাজায়িলুল
আওকাত-২৩; দার ক্বুতনী আন নুযুল-৭৮,৮১; হায়ছামী
মাজমাউজ যাওয়ায়িদ ১২৯৬২; আলবানী সহীহ আত
তারগীব ওয়াত তাহরিব ২৭৭১; সহীহুল জামে ৭৭১;
সুয়ুতী তাফসীরে দুররে মানসুর, সুরা দুখান-৭:৪০৩,
কানযুল উম্মাল-৩৫১৮৩ [6]
(১৩)
ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ : ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ – ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ
ﻭَﺳَﻠَّﻢَ -: ﺇِﺫَﺍ ﻛَﺎﻥَ ﻟَﻴْﻠَﺔُ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ، ﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟِﻌِﺒَﺎﺩِﻩِ،
ﺇِﻟَّﺎ ﻟِﻤُﺸْﺮِﻙٍ ﺃَﻭْ ﻣُﺸَﺎﺣِﻦٍ
হযরত আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত,
তিনি বলেন- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি
ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যখন পনেরই শাবানের
রাত হয়, তখন আল্লাহ তায়ালা সকল বান্দাকে ক্ষমা
করে দেন, মুশরিক ও অপর ভাইয়ের প্রতি বিদ্বেষ
পোষণকারী ব্যতীত।
— মুসনাদে বাযযার ১৬:১৬১ হাঃনং-৯২৬৮;
হায়ছামী মাজমাউজ যাওয়ায়িদ ১২৯৫৮; নুজহাতুল
মাজালিস ওয়া মুনতাখাবুন নাফাইস, বাব,ফাদলু
শ’বান ওয়া ফাদলু সালাতুত তাসবীহ, ১:১৪৬/১:১৬১
[7]
(১৪)
ﺃَﻥَّ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ، ﻗَﺎﻟَﺖْ : ﻗَﺎﻡَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻠَّﻴْﻞِ ﻳُﺼَﻠِّﻲ ﻓَﺄَﻃَﺎﻝَ ﺍﻟﺴُّﺠُﻮﺩَ ﺣَﺘَّﻰ ﻇَﻨَﻨْﺖُ ﺃَﻧَّﻪُ ﻗَﺪْ ﻗُﺒِﺾَ، ﻓَﻠَﻤَّﺎ
ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺫَﻟِﻚَ ﻗُﻤْﺖُ ﺣَﺘَّﻰ ﺣَﺮَّﻛْﺖُ ﺇِﺑْﻬَﺎﻣَﻪُ ﻓَﺘَﺤَﺮَّﻙَ، ﻓَﺮَﺟَﻌْﺖُ، ﻓَﻠَﻤَّﺎ
ﺭَﻓَﻊَ ﺭَﺃْﺳَﻪُ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺴُّﺠُﻮﺩِ، ﻭَﻓَﺮَﻍَ ﻣِﻦْ ﺻَﻠَﺎﺗِﻪِ، ﻗَﺎﻝَ : ” ﻳَﺎ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔُ
ﺃَﻭْ ﻳَﺎ ﺣُﻤَﻴْﺮَﺍﺀُ ﻇَﻨَﻨْﺖِ ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺧَﺎﺱَ ﺑِﻚِ؟ “ ، ﻗُﻠْﺖُ : ﻟَﺎ ﻭَﺍﻟﻠﻪِ
ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠﻪِ ﻭَﻟَﻜِﻨِّﻲ ﻇَﻨَﻨْﺖُ ﺃَﻧَّﻚَ ﻗُﺒِﻀْﺖَ ﻟِﻄُﻮﻝِ ﺳُﺠُﻮﺩِﻙَ،
ﻓَﻘَﺎﻝَ : ” ﺃَﺗَﺪْﺭِﻳﻦَ ﺃَﻱَّ ﻟَﻴْﻠَﺔٍ ﻫَﺬِﻩِ؟ “ ، ﻗُﻠْﺖُ : ﺍﻟﻠﻪُ ﻭَﺭَﺳُﻮﻟُﻪُ ﺃَﻋْﻠَﻢُ،
ﻗَﺎﻝَ : ” ﻫَﺬِﻩِ ﻟَﻴْﻠَﺔُ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ، ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠﻪَ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﻳَﻄْﻠُﻊُ
ﻋَﻠَﻰ ﻋِﺒَﺎﺩِﻩِ ﻓِﻲ ﻟَﻴْﻠَﺔِ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ ﻓَﻴَﻐْﻔِﺮُ ﻟِﻠْﻤُﺴْﺘَﻐْﻔِﺮَﻦﻳِ،
ﻭَﻳَﺮْﺣَﻢُ ﺍﻟْﻤُﺴْﺘَﺮْﺣِﻤِﻴﻦَ، ﻭَﻳُﺆَﺧِّﺮُ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟْﺤِﻘْﺪِ ﻛَﻤَﺎ ﻫُﻢْ
হযরত আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত,
তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি
ওয়াসাল্লাম একদা রাতে সালাত আদায় করছিলেন।
তিনি সিজদায় গিয়ে দীর্ঘ সময় সিজদায় থাকলেন।
এমনকি আমার মনে হলো যে, তাঁর ওফাত হয়ে
গেছে। আমি যখন এমনটি দেখলাম, তখন শোয়া
থেকে উঠে তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলি নাড়া দিলাম, ফলে
তিনি নড়ে উঠলেন। তখন আমি (বিছানায়) ফিরে
গেলাম। অতঃপর যখন তিনি সিজদা থেকে মস্তক
উঠালেন এবং নামায শেষ করলেন তখন বললেন, হে
আয়েশা, তুমি কি মনে করেছিলে যে নবী
সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম তোমার সাথে
প্রতারণা করছেন? আমি বললাম, আল্লাহর শপথ, আমি
এমনটি মনে করিনি। বরং আপনার দীর্ঘ সিজদার
কারনে আমার মনে হয়েছে যে, আপনার ওফাত হয়ে
গেছে। তখন তিনি বললেন, তুমি কি জান এটি কোন
রাত? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল
সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম অবগত। তিনি
বললেন এটি মধ্য শাবানের রাত। আল্লাহ তাআলা এ
রাতে তার বান্দাদের প্রতি দৃষ্টিপাত করেন। যারা
ক্ষমা প্রার্থনা করে তাদেরকে ক্ষমা করেন, যারা
দয়া প্রার্থনা করে তাদেরকে দয়া করেন এবং যারা
বিদ্বেষী তাদেরকে তাদের অবস্থাতেই রেখে
দেন।
— বায়হাক্বী শোয়া’বুল ঈমান-৩৬৭৫/৩৫৫৪;
ফাযায়িলুল আওকাত-২৬; সুয়ুতী আদ দুররুল মান্সুর,সুরা
দুখান,৭:৪০৩,৪ [8]
(১৫)
ﺃﺭﺑﻊ ﻟﻴﺎﻟﻴﻬﻦ ﻛﺄﻳﺎﻣﻬﻦ ﻭﺃﻳﺎﻣﻬﻦ ﻛﻠﻴﺎﻟﻴﻬﻦ ﻳﺒﺮ ﺍﻟﻠﻪ ﻓﻴﻬﻦ
ﺍﻟﻘﺴﻢ ﻭﻳﻌﺘﻖ ﻓﻴﻬﻦ ﺍﻟﻨﺴﻢ ﻭﻳﻌﻄﻲ ﻓﻴﻬﻦ ﺍﻟﺠﺰﻳﻞ : ﻟﻴﻠﺔ
ﺍﻟﻘﺪﺭ ﻭﺻﺒﺎﺣﻬﺎ، ﻭﻟﻴﻠﺔ ﻋﺮﻓﺔ ﻭﺻﺒﺎﺣﻬﺎ، ﻭﻟﻴﻠﺔ ﺍﻟﻨﺼﻒ ﻣﻦ
ﺷﻌﺒﺎﻥ ﻭﺻﺒﺎﺣﻬﺎ ﻭﻟﻴﻠﺔ ﺍﻟﺠﻤﻌﺔ ﻭﺻﺒﺎﺣﻬﺎ . ” ﺍﻟﺪﻳﻠﻤﻲ – ﻋﻦ
ﺃﻧﺲ
হযরত আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী
করীম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ
করেন, চারটি রাত এমন রয়েছে যেগুলোর ফযীলত
তাদের দিনের ন্যায় দিনের ফযীলত রাতের ন্যায়।
যাতে আল্লাহ তা’আলা বান্দাহদের কৃত ওয়াদা পূর্ণ
করেন, তাঁর বান্দাদের মুক্ত করেন এবং অফুরন্ত
নি’আমত প্রদান করেন। তা হল- কদরের রাত ও তার
পরবর্তী দিন, আরাফার রাত ও তার পরবর্তী দিন,
শাবানের মধ্য রাত্রি (শবে বরাত) ও তার পরবর্তী
দিন, জুম’আর রাত ও তার পরবর্তী দিন।
— দায়লামি, কানযুল উম্মাল-৩৫২১৪; সুয়ুতী জামেউল
আহাদীস-৩০৮০
(১৬)
ﻋَﻦْ ﻋُﺜْﻤَﺎﻥَ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺍﻟْﻌَﺎﺹِ، ﻋَﻦِ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ
ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻗَﺎﻝَ : ” ﺇِﺫَﺍ ﻛَﺎﻥَ ﻟَﻴْﻠَﺔُ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ ﻧَﺎﺩَﻯ ﻣُﻨَﺎﺩٍ :
ﻫَﻞْ ﻣِﻦْ ﻣُﺴْﺘَﻐْﻔِﺮٍ ﻓَﺄَﻏْﻔِﺮَ ﻟَﻪُ، ﻫَﻞْ ﻣِﻦْ ﺳَﺎﺋِﻞٍ ﻓَﺄُﻋْﻄِﻴَﻪُ ﻓَﻠَﺎ ﻳَﺴْﺄَﻝُ
ﺃَﺣَﺪٌ ﺷَﻴْﺌًﺎ ﺇِﻟَّﺎ ﺃُﻋْﻄِﻲَ ﺇِﻟَّﺎ ﺯَﺍﻧِﻴَﺔٌ ﺑِﻔَﺮْﺟِﻬَﺎ ﺃَﻭْ ﻣُﺸْﺮِﻙٌ
হযরত উসমান বিন আবীল আ’স রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু
হতে বর্ণিত,তিনি বলেন-রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলায়হি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,যখন পনেরই
শাবানের রাত হয়,তখন আহবানকারী আহবান করবে
এই বলে, আছে কেউ মুক্তিকামী গুনাহ হতে ? তাকে
ক্ষমা করা হবে। কেউ আছে যে কিছু চাইবে তাকে
তা দান করা হবে। প্রত্যেক কামনাকারীকে প্রদান
করা হবে শুধুমাত্র মুশরিক ও ব্যভিচারকারী মহিলা
ব্যতীত।
— বায়হাক্বী শো’আবুল ঈমান হাদীস নং-৩৫৫৫;
ফাজায়েলু আওকাত-২৫; কানযুল উম্মাল-৩৫১৭৮;
সুয়ুতী তাফসীরে দুররে মানসুর, সুরা দুখান-৭:৪০৩
(১৭)
ﻋَﻦْ ﻋَﻄَﺎﺀِ ﺑْﻦِ ﻳَﺴَﺎﺭٍ ﻗَﺎﻝَ : ﺗُﻨْﺴَﺦُ ﻓِﻲ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ
ﺍﻟْﺂﺟَﺎﻝُ، ﺣَﺘَّﻰ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﺮَّﺟُﻞَ ﻟﻴَﺨْﺮُﺝُ ﻣُﺴَﺎﻓِﺮًﺍ، ﻭَﻗَﺪْ ﻧُﺴِﺦَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟْﺄَﺣْﻴَﺎﺀِ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟْﺄَﻣْﻮَﺍﺕِ، ﻭَﻳَﺘَﺰَﻭَّﺝُ ﻭَﻗَﺪْ ﻧُﺴِﺦَ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﺄَﺣْﻴَﺎﺀِ ﺇِﻟَﻰ
ﺍﻟْﺄَﻣْﻮَﺍﺕِ
আতা বিন ইয়াসার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত,
তিনি বলেন, শা’বানের মধ্য রজনীতে (শবে
বরাতে) মানুষের হায়াত পূর্ণ করা হয়। অথচ লোকটি
ভ্রমণকারী হিসেবে বের হয়েছে, এমতাবস্থায় তার
হায়াত পূর্ণ করা হয়েছে এবং মৃত্যু তালিকায়
লিপিবদ্ধ করা হয়েছে এবং বিবাহ করেছে
এমতাবস্থায় তার হায়াত শেষ করা হয়েছে ও মৃত্যু
তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। অর্থাৎ জীবন,
মৃত্যু ইত্যাদি এ রাতে নির্ধারিত হয়।
— মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক, কিতাবুস সাওম-৭৯২৫;
সুয়ুতী তাফসীরে দুররে মানসুর, সুরা দুখান-৭:৪০৩
(১৮)
ﻋَﻦ ﻋِﻜْﺮِﻣَﺔ { ﻓِﻴﻬَﺎ ﻳﻔﺮﻕ ﻛﻞ ﺃَﻣﺮ ﺣَﻜِﻴﻢ } ﻗَﺎﻝَ : ﻓِﻲ ﻟَﻴْﻠَﺔ
ﺍﻟﻨّﺼْﻒ ﻣﻦ ﺷﻌْﺒَﺎﻥ ﻳﺒﺮﻡ ﺃَﻣﺮ ﺍﻟﺴّﻨﺔ ﻭﻳﻨﺴﺦ ﺍﻟْﺄَﺣْﻴَﺎﺀ ﻣﻦ
ﺍﻟْﺄَﻣْﻮَﺍﺕ ﻭَﻳﻜْﺘﺐ ﺍﻟْﺤَﺎﺝ ﻓَﻠَﺎ ﻳُﺰَﺍﺩ ﻓﻴﻬﻢ ﻭَﻟَﺎ ﻳﻨﻘﺺ ﻣِﻨْﻬُﻢ ﺃﺣﺪ
হযরত ইকরামা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত,
তিনি সুরা দুখানের আয়াত (এ রাতে প্রত্যেক
প্রজ্ঞাপূর্ণ কাজের ফয়সালা দেওয়া হয়।
আয়াত-৪)এর তাফসীরে বলেন, শাবানের মধ্য
রজনীতে আল্লাহ তায়ালা পরবর্তী বছরে যে সকল
ঘটনা সংগঠিত হবে (বাজেট) তা লিপিবদ্ধ করবেন
যারা মৃত্যু বরণ করবে তাদের মধ্য থেকে কারো
কারো হায়াত বৃদ্ধি করা হবে এবং যারা আল্লাহর
পবিত্র গৃহের তাওয়াফ করবে অর্থাৎ হজ্জ্ব আদায়
করবে তাদের নাম লিপিবদ্ধ করা হবে। অতঃপর
এদের মধ্যে কোন কিছু বৃদ্ধি পাবে না এবং তাদের
মধ্য হতে কমতিও হবে না।
— সুয়ুতী আদ দুররুল মান্সুর,সুরা দুখান,৭:৪০১; শিহাব
উদ্দীন আলুসী রুহুল মা’আনী, সুরা দুখান,১৩:১১২/
১৮:৪২৭; ইবনে জারীর তাবারী তাফসীরে ত্ববারী
জামেউল বয়ান, সুরা দুখান,২২:১০; তাফসীরে
সা’লাবী ৮:৩৪৯; তাফসীরে বগভী, সুরা দুখান ৪:১৭৩;
তাফসীরে মাযহারী ৮:৩৬৮
(১৯)
ﻋﻦ ﻋﺜﻤﺎﻥ ﺑﻦ ﻣﺤﻤﺪ ﺑﻦ ﺍﻟﻤُﻐﻴﺮﺓ ﺑﻦ ﺍﻷﺧﻨﺲ، ﻗﺎﻝ : ﻗﺎﻝ
ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ :” ﺗُﻘْﻄَﻊُ ﺍﻵﺟﺎﻝُ ﻣِﻦْ
ﺷَﻌْﺒﺎﻥ ﺇﻟﻰ ﺷَﻌْﺒﺎﻥَ ﺣﺘﻰ ﺇﻥ ﺍﻟﺮَّﺟُﻞَ ﻟَﻴَﻨْﻜِﺢُ ﻭَﻳُﻮﻟَﺪُ ﻟَﻪْ ﻭَﻗَﺪْ
ﺧَﺮَﺝَ ﺍﺳﻤُﻪُ ﻓِﻲ ﺍﻟﻤَﻮْﺗَﻰ
উসমান বিন মুগীরাহ বিন আখফাশ রাদ্বিয়াল্লাহু
আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলায়হি অয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
শবে বরাতে এক শা’বান হতে আর এক শা’বানের
মধ্যকার হায়াত কর্তন করা হয়। অথচ মানুষ বিবাহ
বন্ধনে আবদ্ধ হয় সন্তান সন্ততি জন্ম দেয়
এমতাবস্থায় তার নাম মৃত্যুর তালিকায় নেয়া হয়।
— বায়হাক্বী শো’আবুল ঈমান হাদীস নং-৩৫৫৮;
শিহাব উদ্দীন আলুসী রুহুল মা’আনী, সুরা
দুখান,১৩:১১২/১৮:৪২৭; ইবনে জারীর তাবারী
তাফসীরে ত্ববারী জামেউল বয়ান, সুরা
দুখান,২২:১০; কানযুল উম্মাল-৪২৭৮০; তাফসীরে
সা’লাবী ৮:৩৪৯; তাফসীরে খাজিন ৪:১১২/১১৬;
শওকানী ফাতহুল ক্বাদীর, সুরা দুখান,৪:৬৫৫; সুয়ুতী
জামেউল আহাদীস-১০৯১৭; দায়লামী ২:৭৩-২৪১০;
তাফসীরে বগভী সুরা দুখান ৪:১৭৪; তাফসীরে
মাযহারী ৮:৩৬৮
হাদিসটি হযরত আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু
হতেও বর্ণিত হয়েছে।
— সুয়ুতী আদ দুররুল মান্সুর, সুরা দুখান,৭:৪০১;
শওকানী ফাতহুল ক্বাদীর, সুরা দুখান ৪:৬৫৫; মুসনাদে
দায়লামী-২৪১০
(২০)
ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﺗﻘﻀﻰ ﺍﻷﻗﻀﻴﺔ ﻛﻠﻬﺎ
ﻟﻴﻠﺔ ﺍﻟﻨﺼﻒ ﻣﻦ ﺷﻌﺒﺎﻥ ﻭﺗﺴﻠﻢ ﺇﻟﻰ ﺃﺭﺑﺎﺑﻬﺎ ﻟﻴﻠﺔ ﺍﻟﺴﺎﺑﻊ
ﻭﺍﻟﻌﺸﺮﻳﻦ ﻣﻦ ﺷﻬﺮ ﺭﻣﻀﺎﻥ
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদ্বিয়ায়াল্লাহু
আনহু হতে বর্ণিত, শা’বানের মধ্য রজনীতে যাবতীয়
বিষয়ের ফয়সালা করা হয় এবং উহা রমযানের ২৭
তারিখ ক্বদরের রাতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের
দায়িত্বশীলদের নিকট সোপর্দ করা হয়।
— শিহাব উদ্দীন আলুসী রুহুল মা’আনী,সুরা
দুখান,১৩:১১২/১৮:৪২৭
(২১)
ﻋَﻦِ ﺍﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋﻨﻬﻤﺎ : ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﻘْﻀِﻲ ﺍﻟْﺄَﻗْﻀِﻴَﺔَ
ﻓِﻲ ﻟَﻴْﻠَﺔِ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒَﺎﻥَ، ﻭَﻳُﺴَﻠِّﻤُﻬَﺎ ﺇِﻟَﻰ ﺃَﺭْﺑَﺎﺑِﻬَﺎ ﻓِﻲ ﻟَﻴْﻠَﺔِ
ﺍﻟْﻘَﺪْﺭِ
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদ্বিয়ায়াল্লাহু
আনহু হতে বর্ণিত, নিশ্চই আল্লাহ্ তা’আলা
শা’বানের মধ্য রজনীতে যাবতীয় বিষয়ের ফয়সালা
করেন এবং উহা ক্বদরের রাতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের
দায়িত্বশীলদের নিকট সোপর্দ করেন।
— তাফসীরে বগভী, সুরা দুখান ৪:১৭৪; তাফসীরে
খাযিন, সুরা দুখান ৪:১১৬, আল লুবাব ফি উলুমিল
কিতাব ১৭:৩১১; তাফসীরে মাযহারী ৮:৩৬৮
(২২)
ﻋﻦ ﺃﺑﻲ ﺃﻣﺎﻣﺔ ﺍﻟﺒﺎﻫﻠﻲ ﻗﺎﻝ : ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ
ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ : ” ﺧَﻤْﺲُ ﻟَﻴﺎﻝٍ ﻟَﺎ ﺗُﺮَﺩُّ ﻓِﻴﻬِﻦَّ ﺍﻟﺪَّﻋْﻮَﺓُ ﺃﻭَّﻝُ ﻟَﻴْﻠَﺔٍ
ﻣِﻦْ ﺭَﺟَﺐٍ ﻭَﻟَﻴْﻠَﺔُ ﺍﻟﻨِّﺼْﻒِ ﻣِﻦْ ﺷَﻌْﺒﺎﻥَ ﻭَﻟَﻴْﻠَﺔُ ﺍﻟﺠُﻤُﻌَﺔِ ﻭَﻟَﻴْﻠَﺔُ
ﺍﻟﻔِﻄْﺮِ ﻭَﻟَﻴْﻠَﺔُ ﺍﻟﻨَّﺤْﺮِ ”
হযরত আবু উমামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত,
তিনি বলেন এমন পাঁচটি রাত আছে যে রাতগুলোয়
দু’আ ফেরত হয়না। ওইগুলো হল-জুমু’আর রাত,রজব
মাসের প্রথম রাত,শ’বান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত
রাত এবং দুই ঈদের রাত অর্থাৎ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল
আযহার রাত।
— সুয়ুতী জামেউল আহাদীস-১১৯৭৯; দায়লামী
তথ্যসূত্র
1. ↑ হাদিসটি ভিন্ন সূত্রে সহীহ, বায়হাক্বী একে
মুরসাল বলেন
2. ↑ হাসান সহীহ, এর বর্ণনাকারী গণও
নির্ভরযোগ্য। ইবনে হিব্বান একে সহীহ বলেছেন
3. ↑ সহীহ লিগাইরিহি
4. ↑ হাদিসটি সহীহ , রাবীর স্তরে ইবনে
লাহীয়াহ ব্যতীত বাকী সবাই নির্ভরযোগ্য ।
5. ↑ সহীহ লিগায়রিহি, বায়হাক্বী একে মুরসাল
বলেছেন ।
6. ↑ সহীহ লিগাইরিহি, বায়হাক্বী মুরসাল

معني اللغوي الاستوي

  1.اللغوي السلفي الأديب أبو عبد الرحمن عبد الله بن يحيى بن المبارك [ت237هـ]، كان عارفا باللغة والنحو، قال في كتابه "غريب ...