নামাযের পরে সম্মিলিত দুআ করা কি জায়েজ ?
[ কৃত:- মুফতি মাওলানা মহিউদ্দিন ফারুকী ]
[ বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, লিখক ও গবেষক ]
حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي عَنْ عَاصِمٍ عَنْ حَفْصَةَ عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ قَالَتْ كُنَّا نُؤْمَرُ أَنْ نَخْرُجَ يَوْمَ الْعِيدِ حَتَّى نُخْرِجَ الْبِكْرَ مِنْ خِدْرِهَا حَتَّى نُخْرِجَ الْحُيَّضَ فَيَكُنَّ خَلْفَ النَّاسِ فَيُكَبِّرْنَ بِتَكْبِيرِهِمْ وَيَدْعُونَ بِدُعَائِهِمْ يَرْجُونَ بَرَكَةَ ذَلِكَ الْيَوْم وَطُهْرَتَهُ
-" হযরত উম্মে আতিয়াহ রা. বলেন: ঈদের দিনে আমাদেরকে বের হওয়ার নির্দেশ দেয়া হতো। এমনকি কুমারীদেরকে তাদের অন্দর মহল থেকে বের করতাম এবং ঋতুবতী নারীদেরকেও। তারা পুরুষদের পিছনে থাকত আর তাদের তাকবীরের সাথে তাকবীর বলত এবং দুআর সাথে দুআ করত। তারা সে দিনের বরকত ও পবিত্রতা আশা করতো।"
(সহীহুল বুখারী,হাদীস নং- ৯২০)
হাদীসটির সনদগত মান সহীহ। শাব্দিক কিছু তারতম্যসহ এ হাদীসটি সিহাহ সিত্তাহের প্রত্যেক কিতাবেই বর্ণিত হয়েছে। (জামিউল উসূল-৪২৬৩)
এ হাদীস থেকে নামাযের পরে সম্মিলিত দুআ প্রমাণিত হয়। এ হাদীসে ঋতুবতী মহিলাদেরকে ঈদগাহে গিয়ে মুসলমানদের দুআয় শরীক হতে বলা হয়েছে; যা নামাযের পরে হয়ে থাকে। কেননা ঈদের ময়দানে প্রথম যে কাজটি করা হয় তা হল নামায পড়া |
(বুখারী,হাদীস নং- ৫১৬২)।
খুতবা ও দুআ হয় নামাযের পরে। ‘মুসলমানদের সাথে দুআয় শরীক হওয়া’ শব্দ থেকে সম্মিলিত দুআর স্পষ্ট প্রমাণ মেলে। এছাড়াও সহীহুল বুখারীর ৯২৮ নম্বর হাদীসে বর্ণিত আছে যে, فَلْيَشْهَدْنَ الْخَيْرَ وَدَعْوَةَ الْمُؤْمِنِين তারা যেন কল্যাণকর কাজ এবং মুমিনদের দুআয় শরীক হয়। এ থেকেও নামাযের পরে সম্মিলিত দুআর স্পষ্ট প্রমাণ মিলে |
No comments:
Post a Comment