সুন্নীদেরকে করোনা বা কোভিড নাইনটিন আক্রমন করবেনা!এটা ইয়াক্বীনের বুলি!বুলিটা যার মুখ থেকেই আসুক না কেন ইয়াক্বীনের এ বুলির পিছনে কিন্তু নির্ভরযোগ্য বর্ণনা ও যুক্তি রয়েছে! সুরা আনফালের তেত্রিশ নম্বর আয়াতে ইরশাদ হয়েছে وما كان الله معذبهم وهم يستغفرون! ইস্তিগফার করা অবস্থায় আল্লাহ পাক তাদেরকে শাস্তি প্রদানকারী নন ৷ ইস্তিগফার'র ব্যাখায় তাফসীরের বহু কিতাবে "এ ইস্তিগফার দ্বারা সালাত"কে বুঝানো হয়েছে আর সালাতের এক অর্থ দরুদ ৷অতএব দ্ব্যর্থহীণ কণ্ঠে বলতে পারি "দরুদ পাঠ কারীরা আল্লাহর গযব থেকে রেহায় পেয়ে থাকেন ৷ আপনি যদি দরুদ পাঠকারী বা মিলাদ কিয়ামের পক্ষের লোক হয়ে থাকেন আপনিও এ বিশ্বাস রাখতে পারেন এবং এটা সুন্নিদের জন্য অতি প্রাসঙ্গিকও বটে ৷সালাতের অর্থে নামায ও ইস্তিগফারও রয়েছে ৷সুতরাং নামাযী বান্দাহ ও তওবাকারীও আল্লাহ পাকের এ ওয়াদার শামিল হয়ে থাকেন ৷ তাফসীরে ইবনে কাসীরে সুরা আনফলের উল্লেখিত আয়াতাংশের ব্যাখ্যায় হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর এ বর্ণনাটি বিবৃত হয়েছে,,,,,,
قال ابن عباس كان فيهم أمانان النبي صلى الله عليه وسلم والإستغفار فذهب النبي صلى الله عليه وسلم وبقي الإستغفار
তারা দুটি কারণে নিরাপত্তা লাভ করেছিলো ৷ একটি হলো নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামার বিদ্যমানতা ৷ অপরটি হলো ইস্তিগফার ৷ নবীজীতো পর্দা করেছেন৷ অবশিষ্ট আছে ইস্তিগফার ৷
সুতরাং বলা চলে যে,ইস্তিগফারকারী বিপদ থেকে রেহাই পাবার নিশ্চয়তা রয়েছে ৷ এতদসত্বেও বিপদে আক্রান্ত হওয়া অসম্ভব নয় ৷মুমিন ব্যক্তি বিপদগ্রস্থ হওয়ার মানে এ নয় যে,তার উপর খোদার গযব পড়েছে বরং গযবটা মুমিনের জন্য রহমত ৷যেমন সহীহ বুখারী শরীফে এসেছে,,,
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا أَنَّهَا سَأَلَتْ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الطَّاعُونِ، فَأَخْبَرَهَا أَنَّهُ كَانَ عَذَابًا يَبْعَثُهُ اللهُ تَعَالَى عَلَى مَنْ يشَاءُ، فَجَعَلَهُ اللهُ تَعَالَى رَحْمَةً لِلْمُؤْمِنينَ، فَلَيْسَ مِنْ عَبْدٍ يَقَعُ فِي الطَّاعُونِ، فَيَمْكُثُ فِي بَلَدِهِ صَابرًا مُحْتَسِبًا يَعْلَمُ أَنَّهُ لَا يُصِيبُهُ إِلَّا مَا كَتَبَ اللهُ لَهُ إِلَّا كَانَ لَهُ مِثْلُ أَجْرِ الشَّهِيدِ[1]؛ رواه البخاري.
হযরত আয়িশা সিদ্দিকা রাদ্বিয়াল্লাহু বলেন আমি নবীজীকে মহামারী সম্পর্কে আরয করলে নবীজী ইরশাদ করেন এটা এমন আযাব যাকে চান আল্লাহ পাক প্রয়োগ করেন এবং এটা মুমিনের জন্য রহমত বা করুনা হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।
No comments:
Post a Comment