Abir Khan সূফি নূর মোহাম্মদ নিজামপুরি(রহঃ)
*********************************
তরিকত জগতের পরিচিতি
রাসুল নুমা হযরত সূফি ফতেহ আলি(রহঃ) এর পীর ও মুর্শিদ হযরত সূফি নুর মোহাম্মদ নিজামপুরি(রহঃ) ছিলেন তরিকতের এক নক্ষত্র। উনাকে নিয়ে কথা বলতে আদব ও সতর্কতা জরুরি।
তিনি একাধিক পীরের হাতে বায়াত গ্রহন ও খেলাফত লাভ করেন।
♥হযরত শেখ যাহেদ ভুলোয়ি(রহঃ) ছিলেন প্রথম পীর। উনার পীর হলেন হযরত সৈয়দ মুহাম্মদ সুফি দায়েম (রহঃ)। বায়াত ও খেলাফত।
( তথ্যসূত্র : সূফিয়া দরবার শরিফ থেকে প্রকাশিত হযরত নূর মোহাম্মদ নিজামপুরির জীবনী ও বাংলাদেশেরে পীর আউলিয়াগন)
♥পরবর্তীতে সবচেয়ে বেশি ফায়েজ হাসিল করেন ও সুফি লক্বব লাভ করেন উনার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুরশিদ হযরত সৈয়দ লক্বীয়তুল্লাহ(রহঃ)থেকে যাহার পীর ও বাবা সুফি সাইয়েদ মোহাম্মদ দায়েম রহ: কিন্তু খেলাফতপ্রাপ্ত খলিফা নন।
(হজরত লক্বিয়াতুল্লাহ রহ: হলেন হযরত গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারীর দাদা পীর এবং তিনিই তাঁকে "সূফি"উপাধিতে ভূষিত করেন।ইতিপূর্বে তিনি মাওলানা নূর মোহাম্মদ হিসেবে পরিচিত ছিলেন)।
এছাড়াও তিনি খেলাফত লাভ করেন:
♦কলকাতার হাফেজ জামাল উদ্দিন (রহঃ) থেকে। তিনি আশরাফিয়া সিলসিলার পীর।
♦হযরত শাহ আব্দুল আযিয মুহাদ্দিস দেহলভী রহ: (কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে লেখা পড়া শেষে তিনি মুহাদ্দিস সাহেবের নিকট হাদিস পড়েছেন এবং বায়াত গ্রহণ করে খেলাফত লাভ করেছেন)।
(নজদী পরিচয় ; মাওলানা রিদায়ানুল হক ইসলামাবাদী রহ., রিদওয়ানীয়া লাইব্রেরি, বাংলা বাজার, পুরাতন ঢাকা)
বাংলা ১৩৪২ সালে প্রকাশিত লেখক
মাওলানা রহুল আমিন রচিত 'বংগ আসামের পীর আউলিয়া কাহিনী' পুস্তকের বরাতে মাওলানা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ জুবাইর রচিত, আজিমপুর দায়রা শরিফ পুস্তকে লেখা হয়েছে,
এই যে-"সৈয়দ আহমদ বেরলভির নিকট তিনি(সূফি নূর মোহাম্মদ নিজামপুরি) নকশেবন্দিয়া মুজাদ্দেদিয়া চিশতিয়া এবং কাদেরিয়া তরিকায় জিহাদের জন্যে বাইয়াত গ্রহন করিয়া খেলাফত লাভ করেছেন কিন্তু আওর মুহাম্মদিয়া তরিকার কথা উল্লেখ্য নাই অর্থাৎ তরিকতের চার সবকের দীক্ষার পাশাপাশি এজাজত এবং খেলাফত লাভ করেছেন. ( ১৪৭ পাতা)
সাইয়েদ শাহ আবুল ফাত্তাহ সিরাজুদ্দীন মুহাম্মদ আব্দুল কাদের আল কাদেরি আবুল উলাই মুনইমি রাহ. থেকে রচিত গ্রন্থের শাজারাহ মতে সুফি নিজামপুরি সাহেব আজিমপুর দায়রা শরীফের আলহাজ্ব হজরত শাহ সুফি সাইয়েদ লাকিতুল্লাহ রাহ. এর মুরীদ ছিলেন উক্ত শাজারাহ শরীফ সম্বলিত গ্রন্থটি পাটনার ইসলামপুর হইতে ১৩২৭ হিজরিতে প্রকাশিত হয়
(আজিমপুর দায়রা শরীফ; ১৪৮ পাতা)
আল্লাহ পাক আওলিয়াদের নিগাহে করম নসিব করুন। আমিন।
( তথ্য সংগৃহীত ও যাচাইকৃত ভুল গুলো কিতাবের ইবারত অনুসারে সংশোধিত)
No comments:
Post a Comment