Sunday, 2 June 2019

জানাযা নামাজের পর হাত তুলে দোয়া

জানাযার নামাজের পর দোয়ার বিধান।

===========================
আমাদের সমাজের কিছু লোককে জানাযার নামাজের পর দোয়া করা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করতে দেখা যায় যা আদৌ কাম্য নয়।তাদের দাবী হচ্ছে জানাযা হচ্ছে দোয়া আর দোয়ার পর দোয়া নেই।আসলেই তাদের যুক্তির বাস্তবতা কতটুকু আসুন কুরআন সুন্নাহর কষ্টিপাথরে যাচাই করে দেখি।আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত এ কথার উপর একমত যে মুসলমান মৃত ব্যক্তিদের জন্য জানাযার আগে ও পরে দোআ করা অবশ্যই পছন্দনীয় এবং কোরআন হাদিসের অকাট্য দলিল দ্বারা

জানাযা কি নামাজ নাকি দোয়া?
======================
আমাদের সমাজের কিছু লোক জানাযাকে নিজেদের মনগড়াভাবে দোয়া হিসেবে চালিয়ে দিতে চাই অথচ পবিত্র কুরআন ও হাদিছ শরীফে স্পষ্ঠভাবে জানাযাকে দোয়া নয় বরং নামাজ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।যেমন,রাসুল (সাঃ) মুনাফিক সর্দার আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই এর জানাযা পড়তে চাইলে আল্লাহ তা নিষেধ করে আয়াত নাযিল করেছিলেন এভাবে..
وَ لَا تُصَلِّ عَلٰۤی اَحَدٍ مِّنۡہُمۡ مَّاتَ اَبَدًا...
আর তাদের মধ্যে যে মারা গিয়েছে, তার উপর তুমি (জানাযা) সালাত পড়বে না...
(সূরা তাওবাহঃ৮৪)

পবিত্র কুরআনেই আমরা জানাযাকে সালাত হিসেবে আখ্যায়িত করতে দেখছি সুতরাং জানাযা কোন দোয়া নয় বরং সালাত।রাসুল (সাঃ) ও জানাযাকে নামাজ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, সহিহ বুখারিতে এসেছে
من صلى على الجنازة
অর্থাৎ যে ব্যাক্তি জানাযার নামাজ পড়ল।
{সহিহ বুখারিঃ২/৮৭ পৃঃ}
এ প্রসঙ্গে শরহে বুখারী আল্লামা বদরুদ্দীন আইনী (রাঃ) বলেন -
وقال الكرماني عرض البخاري بيان جواز اطلاق الصلاة علي صلاة الجنازة وكونها مشروعة وان لم تكن ذات الركوع والسجود فاستدل عليه تارة باطلاق اسم الصلاة عليه
অর্থাৎ- আল্লামা কিরমানী বলেন ইমাম বুখারী (রাঃ) অত্র অধ্যায়ে বর্ণিত হাদীছ সমূহ দ্বারা প্রমান করেন যে ,সালাতুল জানাযাকে নবী পাক (দঃ) সালাত (নামাজ) বলে আখ্যায়িত করেছেন। যদিও ইহাতে রুকু সিজদা নাই । অতঃপর ইহাকে নামাজ প্রমাণ করার জন্য নবীজি সাহাবীগণকে বলেছেন “নামাজ পড়” ।
(ইমাম আইনী শরহে বোখারী ৮ম খন্ড-১২২ পৃঃ)

সুতরাং উপরোক্ত কুরআন সুন্নাহর আলোচনা থেকে দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ঠ যে জানাযা হচ্ছে মূলত নামাজ তবে হ্যা অন্যান্য নামাজের মতো এখানেও নামাজের ভিতর দোয়া পড়তে হয় তাই বলে তা দোয়া হয়ে যাবেনা বরং তা নামাজ হিসেবেই আখ্যায়িত হবে।
         ‏‏[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[

জানাযার পর দোয়ার করার প্রমাণঃ
========================
১/--আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা মৃত ব্যক্তির জানাযার সালাত পড় অতঃপর তার জন্য একনিষ্ঠভাবে দু‘আ করো।
গ্রন্থঃ সুনানে ইবনে মাজাহ।
হাদিস নম্বরঃ ১৪৯৭/সহিহ।

২/--জানাযার আগে দোআর প্রমাণ । সহিহ হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত যে সাহাবাগণও ফারুখে আযম এর লাশ মুবারকের চতুর্দিকে দাড়িয়ে তার জন্য দোআ
করেছেন ।
ﺑﻦ ﺍﻟﺨﻄﺎﺏ ﻋﻠﻲ ﻭﺿﻊ ﻋﻤﺮ
ﺳﺮﻳﺮﻩ ﻓﺘﻜﻔﻨﻪ ﺍﻟﻨﺎﺱ ﻳﺪﻋﻮﻥ ﻭ
ﻳﺜﻨﻮﻥ ﻭ ﻳﺼﻠﻮﻥ ﻋﻠﻴﻪ ﻗﺒﻞ ﺍﻥ
ﻳﺮﻓﻊ ﻭ ﺍﻧﺎ ﻓﻴﻬﻢ ﻗﺎﻝ ﻓﻠﻢ
ﻗﺪ ﺍﺧﺬ ﺑﻤﻨﻜﺒﻲ ﻣﻦ ﻳﺮﻋﻨﻲ ﺍﻻ ﺑﺮﺟﻞ
ﻭﺭﺍﺇﻱ ﻓﺎﻟﺘﻔﺖ ﺍﻟﻴﻪ ﻓﺎﺫﺍ ﻫﻮ ﻋﻠﻲ
ﻓﺘﺮﺣﻢ ﻋﻠﻲ ﻋﻤﺮ ___
হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ হতে বর্ণিত ,। তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ)-এর লাশ খাটের উপর রাখা হল। খাটটি কাঁধে তুলে নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত লোকজন তা ঘিরে দু’আ করছিল। আমিও তাদের মধ্যে একজন ছিলাম।.
এক ব্যাক্তি পেছন থেকে এসে আমার কাঁধ ধরলে দেখলাম তিনি তো হযরত আলী রাঃ । তিনি হযরত উমার রাঃ এর জন্য রহমত কামনা করেন।
[সহিহ বুখারি ও মুসলিম শরীফ]
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
হাদিস নম্বরঃ ৩৬৮৫/সহিহ।

জানাযার পর লোকটি কেমন ছিল তা
স্বাক্ষী দেওরা জায়েয ও উত্তম ।
ﺭﺽ ﻗﺎﻝ ﻋﻦ ﺍﻡ ﺳﻠﻤﺔ ﺭﺳﻮﻝ
ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻌﻢ ﺍﺫﺍ ﺣﻀﺮﺗﻢ ﺍﻟﻤﺮﻳﺾ
ﺍﻭ ﺍﻟﻤﻴﺖ ﻓﻘﻮﻟﻮﺍ ﺧﻴﺮﺍ ﻓﺎﻥ
ﺍﻟﻤﻼﺇﻛﺔ ﻳﻮﻣﻨﻮﻥ ﻣﺎ ﺗﻘﻮﻟﻮﻥ
হযরত উম্মে সালামা রঃ হতে বর্ণিত
রাসুল দঃ বলেছেন যখন তোমরা কোন
রুগ্ন বা মৃত ব্যক্তির পাশে হাজির হও
তখন তার সম্পর্কে ভাল বলবে। কেননা
তোমরা যা বল ফেরেশতারা তাই
বিশ্বাস করে। [সহিহ মুসলিম।]

৩/--মূতার যুদ্ধে সাহাবীদের জানাযার নামাজের পর কি করলেন তা সুন্দরভাবেই সহিহ সনদে বর্ণনা করেছেন ইমাম বায়হাকী (রাঃ) এভাবে...

হযরত আসিম বিন ওমর বিন কাতাদা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন,........তারপর জাফর বিন আবি তালেব শহিদ হয়ে গেলেন অতঃপর রাসুল (দঃ) তার জানাযার নামাজ আদায় করলেন এবং তার জন্য দোয়া করলেন।.....
ইমাম বায়হাকীঃ{দালায়েলুন নবুয়ত-৪/৩৭৯}
দারুল ফিকর ইলমিয়্যাহ।
হাদিছের মানঃসহিহ হাদিছ।

৪/--জানাযার পর দোআ করা ।
ﺻﻠﻴﺘﻢ ﻋﻠﻲ ﺍﻟﻤﻴﺖ ﺍﺫﺍ ﻓﺎﺧﻠﺼﻮﺍ ﻟﻪ
যখন তোমরা মৃত ব্যক্তির জানাযা পড়ে
ফেল তখন তার জন্য একনিষ্ঠভাবে দুআ
কর। [মিশকাত শরীফ, বাবু সালাতিল
জানাযা।]
ঊক্ত হাদিস দ্বারা পরিস্কারভাবে
জানাজার পর দোআর কথা প্রমাণিত।

৫/---হযরত ইবনে হুসাইন (রাঃ) বর্ণনা করেন,নিশ্চই আলী (রাঃ) এক জানাযার নামাজ আদায় করলেন অতঃপর আবার তার জন্য দোয়া করলেন।
বায়হাকীঃআস সুনানুল কুবরাঃহাদিছ নং-৬৯৯৬।
হাদিছের মানঃসহিহ হাদিছ।

৬/--বিশিষ্ট তাবেয়ী নাফে (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) যদি কোন জানাযায় উপস্থিত হয়ে দেখতেন যে জানাযা আদায় হয়ে গেছে,তখন তিনি দোয়া করে ফিরে আসতেন সালাত আদায় করতেননা।
মুছান্নেফে আব্দুর রাজ্জাকঃ৬৫৪৫।
হাদিছের মানঃসহিহ-{মুফতি আমিমুল ইহসানঃফিকহুস সুনানি ওয়াল আছারঃ১/৪০০ (ইফা)}

৭/---বিশিষ্ট তাবেয়ী হযরত ইব্রাহিম হিজরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আওফা (রাঃ) যিনি বায়তুর রিদওয়ানে উপস্থিত ছিলেন।তার কন্যার ওফাত হলে তিনি তার মেয়ের কফিনের পিছনে একটি খচরের উপর সওয়ার হয়ে যাচ্ছেন।তখন মহিলারা কান্না করতেছিলেন তখন তিনি তাদেরকে বললেন তোমরা মর্সিয়া করোনা যেহেতু নবী করিম (দঃ) মর্সিয়া করতে নিষেধ করেছেন তবে তোমাদের মধ্যে যে কেউ চায় অশ্রু ঝরাতে পারবে।এরপর জানাযার নামাজ চার তকবীরের মধ্যে সম্পন্ন করলেন আর চতুর্থ তকবীরের পর দুই তকবিরের মধ্যখানের সময় পরিমাণ দোয়া করেছিলেন এবং তিনি বললেন অনুরূপ হুযুর পাক (দঃ) জানাযায় করতেন।
মুসনাদে আহমদঃ১৮৩৫১।
মুসনাদে বাযযারঃ৩৩৫৫।
হাদিছের মানঃসহিহ।

৮/---নং দলীল
ﻋﻤﺎﻣﺔ ﺭﺽ ﻗﺎﻝ ﻋﻦ ﺍﺑﻲ ﻗﻠﺖ ﻳﺎ
ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻌﻢ ﺍﻱ ﺍﻟﺪﻋﺎﺀ
ﺍﺳﻤﻊ ﻗﺎﻝ ﺟﻮﻑ ﺍﻟﻠﻴﻞ ﺍﻻﺧﺮ ﻭ
ﺩﺑﺮ ﺍﻟﺼﻠﻮﺍﺕ ﺍﻟﻤﻔﺘﻮﺑﺎﺕ
হযরত আবু উমামা রঃ হতে বর্নিত তিনি বলেন আমি রাসুল দঃ কে জিজ্ঞাসা করলাম কোন দোআ অধিক গ্রহণযোগ্য? তিনি দঃ বলেন শেষ রাত্রির নির্জন মুহুর্ত ও ফরয নামাজের পর দোআ করা।
[সুনানে তিরমীযি ও নাসায়ী ]
সুতরাং যেহেতু জানাযার নামাজ
ফরযে কেফায়া তাই এর পর দোয়া করা
উত্তম।

৯/---নং দলীল
ﺭﺽ ﻗﺎﻝ ﻛﺎﻥ ﻋﻦ ﻋﺜﻤﺎﻥ ﺍﻟﻨﺒﻲ
ﺻﻠﻌﻢ ﺍﺫﺍ ﻓﺮﻍ ﻣﻦ ﺩﻓﻦ ﺍﻟﻤﻴﺖ
ﻭﻗﻒ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﻗﺎﻝ ﺍﺳﺘﻐﻔﺮﻭﺍ
ﻻﺧﻴﻜﻢ ﻭﺳﻠﻮﺍ ﻟﻪ ﺍﻟﺘﺜﺒﻴﺖ ﺍﻧﻪ ﺍﻻﻥ
ﻳﺴﺎﻝ
হযরত উসমান রঃ হতে বর্ণিত তিনি বলেন রাসুল দঃ লাশ দাফনের পর দাড়িয়ে বলতেন তোমরা তোমাদের
ভাইয়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর এবং সাবেত কদম থাকার জন্য দোয়া কর । কেননা তাকে এখনি প্রশ্ন করা হবে।[সুনানে আবু দাউদ ও বায়হাকি সহিহ
সনদে বর্ননা করেছেন]

১০/--নং দলীল
রাসূল দঃ হযরত তালহা বিন বরা আনসারী রঃ এর জানাযা পড়ালেন এবং এরপর হাত তুলে দোয়া করলেন হে আল্লাহ! তাকে তালহাকে এ অবস্হায় সাক্ষাত দান কর যে তুমি তাকে দেখবে আর সে তোমাকে দেখে খুশী হবে ।
[ জুরকানী শরহে মুয়াত্তা ২য় খণ্ড পৃঃ
৬১, আওনুল উবুদ শরহে আবি দাউদ ৩য়
খণ্ড পৃঃ ১৯৪ ]

১১/--নং দলীল
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম হযরত ওমর ফারুখ রঃ এর জানাযার শরীক হতে আসলেন কিন্তু তার পূর্বেই জানাযা নাযাজ হয়ে কেলে তিনি দূর থেকে বললেন যদিও তোমরা আমার আগেই জানাযা পড়ে ফেলেছ কিন্তু এখন দোয়ার ক্ষেত্রে আমার পূর্বে করে
ফেলনা , আমাকে দোয়ার অন্তর্ভূক্ত কর
[মাবসুত ২য় খণ্ড, পৃঃ ৬৭]

এছাড়াও "মুসনাদে হুমায়দীর" মধ্যে সহিহ সনদে রাসুল (দঃ) ইন্তেকালের পর সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) হযরত আবু বকর (রাঃ) কে আরজ করলেন আমরা কি নামাজ পড়বনা? তখন হযরত আবু বকর (রাঃ) বললেন হ্যা পড়বে।তখন সাহাবাগন আবার জিজ্ঞেস করলেন কিভাবে পড়ব।তখন তিনি বললেন তোমরা একদল প্রবেশ করে তকবীর দিয়ে সালাত আদায় করবে এবং (সালাত শেষে) দোয়া করবে অতঃপর বের হয়ে আসবে।
মূল কিতবের স্ক্রীন সহ দেওবন্দী মুফতি আবরার এর জবাব পেতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
https://m.youtube.com/watch?feature=youtu.be&v=2R-Kcm3gD2o

উপরোক্ত দলিলাদির আলোকে সু স্পষ্ঠ প্রমাণিত হয় জানাযার নামাজের পর দোয়া করা স্বয়ং রাসুল (দঃ) ও সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) থেকেই প্রমাণিত।তাই এই মুস্তাহাব আমলটি কেউ করতে চাইলে আমাদের বাধা দেওয়া উচিৎ নয়।
        ‏‏[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[
হাত তুলে দোয়া করা কতটুকু যুক্তিসঙ্গত?============================

রাসুল (দঃ) ক্বওলী হাদিছ দ্বারা প্রমাণিত যে, দোয়ার উত্তম পদ্ধতি হচ্ছে দলবদ্ধভাবে দোয়া করা।যেমন রাসুল (দঃ) বলেন,
হযরত হাবীব বিন মাসলামা আল ফিহরীরা. থেকে বর্ণিত, যিনি মুসতাজাবুদ্দা’ওয়াহ ছিলেন।একটি মুজাহিদ বাহিনীর আমীর নিযুক্ত করা হলে তিনি গিরিপথ ধরে চলতে আরম্ভ করলেন।অতঃপর যখন তিনি দুশমনের কাছে এলেন তখন বললেন,আমি রসূ ল্লাহ (দঃ) কে বলতে শুনেছি: যখন কোন দল একত্রিত হয়ে তাদের কেউ দুআ করে এবং অন্যরা আমীন বলে,তখন আল্লাহ  তাআলা তা কবুল করেন।।
তাবরানী মুজামুল কাবীর: ৩৪৫৬,
মুসতাদরাকে হাকেম: ৫৪৭৮,
মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ১৭৩৪৭)
হাদীসটির স্তর : হাসান।

মোল্লা আলী ক্বারী (রাঃ) নাকি বলেছেন জানাযার পর দোয়া করা মাকরূহ?
==========================
হ্যা মোল্লা আলী (রাঃ) তার মেরকাতে কুনিয়া,বাযযারিয়া প্রভৃতি ফতোয়ার কিতাবের উদ্বৃতি দিয়ে এ কথা বলেছেন সত্য তবে তার কারণ ব্যাখ্য করেছেন।তিনি বলেছেন জানাযার পর কাতারবন্দী থাকা অবস্থায় দোয়া করা যাবেনা কারণ তা অতিরন্জিত দেখায় কিন্তু কাতার ভঙ্গ করে দোয়া করতে নিষেধ করা হয়নি।আর আমরাও দোয়া কাতার ভাঙ্গার পরেই করি।কাতারবন্দী অবস্থায় নয়।
=======================
আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুক।---(আমিন)

No comments:

Post a Comment

معني اللغوي الاستوي

  1.اللغوي السلفي الأديب أبو عبد الرحمن عبد الله بن يحيى بن المبارك [ت237هـ]، كان عارفا باللغة والنحو، قال في كتابه "غريب ...