নখ ও চুল কাটুন!
.
উম্মে সালামাহ (রা.) হ'তে বর্ণিত,রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, "তোমাদের মধ্যে যারা কুরবানী দেওয়ার এরাদা রাখে, তারা যেন যিলহজ্জ মাসের চাঁদ ওঠার পর হ'তে কুরবানী সম্পন্ন করা পর্যন্ত স্ব স্ব চুল ও নখ কর্তন করা হতে বিরত থাকে।" [মুসলিম, মিশকাত হা/১৪৫৯; নাসাঈ, মির'আত হা/১৪৭৪-এর ব্যাখ্যা, ৫/৮৬ পৃঃ]
.
কুরবানী দিতে অক্ষম ব্যক্তিগণ কুরবানীর খালেছ নিয়তে এটা করলে আল্লাহর নিকট তা পূর্ণাঙ্গ কুরবানী হিসাবে গৃহীত হবে। [আবু দাঊদ, নাসাঈ, মিশকাত হা/১৪৭৯; মির'আত হা/১৪৯৩, ৫/১১৭ পৃঃ; 'আতীরাহ' অনুচ্ছেদ; হাকেম (বৈরুতঃতাবি), ৪/২২৩ পৃঃ]
.
ইমাম নববী বলেন, "উহার তাৎপর্য হ'ল যাতে অকর্তিত নখ চুল সহ পূর্ণাঙ্গ দেহ নিয়ে মুমিন বান্দা জাহান্নাম থেকে মুক্তি পায়।" [শাওকানী, নায়লুল আওত্বার, ৬/২৩৩ পৃঃ]খ_কেটেছেন_কি?
.
উম্মে সালামাহ (রা.) হ'তে বর্ণিত,রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, "তোমাদের মধ্যে যারা কুরবানী দেওয়ার এরাদা রাখে, তারা যেন যিলহজ্জ মাসের চাঁদ ওঠার পর হ'তে কুরবানী সম্পন্ন করা পর্যন্ত স্ব স্ব চুল ও নখ কর্তন করা হতে বিরত থাকে।" [মুসলিম, মিশকাত হা/১৪৫৯; নাসাঈ, মির'আত হা/১৪৭৪-এর ব্যাখ্যা, ৫/৮৬ পৃঃ]
.
কুরবানী দিতে অক্ষম ব্যক্তিগণ কুরবানীর খালেছ নিয়তে এটা করলে আল্লাহর নিকট তা পূর্ণাঙ্গ কুরবানী হিসাবে গৃহীত হবে। [আবু দাঊদ, নাসাঈ, মিশকাত হা/১৪৭৯; মির'আত হা/১৪৯৩, ৫/১১৭ পৃঃ; 'আতীরাহ' অনুচ্ছেদ; হাকেম (বৈরুতঃতাবি), ৪/২২৩ পৃঃ]
.
ইমাম নববী বলেন, "উহার তাৎপর্য হ'ল যাতে অকর্তিত নখ চুল সহ পূর্ণাঙ্গ দেহ নিয়ে মুমিন বান্দা জাহান্নাম থেকে মুক্তি পায়।" [শাওকানী, নায়লুল আওত্বার, ৬/২৩৩ পৃঃ]
তাকবীরে তাশরীক “একটি ওয়াজিব আমল”
আইয়ামুত তাশৱীক ও তাকবীৱে তাশৱিক:
আল্লাহ তা’য়ালা ইরশাদ করেছেন
وَ اذْكُرُوا اللّٰهَ فِیْۤ اَیَّامٍ مَّعْدُوْدٰتٍ
অর্থাৎ আর তোমরা আল্লাহকে স্মরণ কর (আইয়ামে তাশরীকের) নির্দিষ্ট দিনগুলোতে। - সূরা বাকারা ২০৩
একাধিক সাহাবা-তাবেয়ীন থেকে প্রমাণিত আছে যে, তারা নয় তারিখ আরাফার দিন ফজর থেকে তের তারিখ আসর পর্যন্ত তাকবীর পড়তেন। তন্মধ্যে হলেন, হযরত উমার ইবনুল খাত্তাব, হযরত আলী ইবনে আবি তালিব, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহুম যুহরী, মাকহুল, সুফিয়ান সাওরীসহ প্রমুখ সাহাবা-তাবেয়ীগণ।
তাকবীরে তাশরীকের জন্য বিভিন্ন শব্দ হাদীসে উল্লেখ হয়েছে। তন্মধ্যে সর্বোত্তম ও সর্বজনবিদিত পাঠ হল,
اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَرُ، لَاإِلَهَ إِلاَّ اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ وَلِلهِ الحَمْدُ
মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ৫৬৯৬-৯৯; আল আওসাত, ইবনে মুনযির ৪/৩৪৯; এলাউস সুনান ৮/১৫৬; বাদায়েউস সানায়ে ১/৪৫৮
🔹কখন তাকবীরে তাশরীক পড়তে হবে?
আরাফার দিন অর্থাৎ ৯ যিলহজ্জ শনিবার বাদ ফজর থেকে ১৩ যিলহজ্জ বুধবার বাদ আসর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর একবার তাকবিরে তাশরিক তথা— اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَرُ، لَاإِلَهَ إِلاَّ اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ وَلِلهِ الحَمْدُ বলা ওয়াজিব। কেউ যদি অতিরিক্ত বলে তবে তা ফজিলত বা সওয়াবের কারণ হবে।
🔹 কারা পড়বেন?
এটা ফরয নামাযের পর প্রত্যেক বালেগ পুরুষ, নারী, মুকিম, মুসাফির, গ্রামবাসী, শহরবাসী, জামায়াতের সঙ্গে নামায পড়ুক বা একাকি পড়ুক— প্রত্যেককেই একবার করে পাঠ করতে হবে। - ফাতাওয়ায়ে শামী, বাহরুর রায়িক
🔹 কতবার পড়বেন?
একবার তাকবিরে তাশরিক তথা— اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَرُ، لَاإِلَهَ إِلاَّ اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ وَلِلهِ الحَمْدُ বলা ওয়াজিব। কেউ যদি অতিরিক্ত বলে তবে তা ফজিলত বা সওয়াবের কারণ হবে।
কেউ যদি তিনবার বলে তবে সেটাকে বিদআত বলাও উচিত নয়। - আলআওসাত, হাদীস : ২১৯৮; মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস : ৫৬৯৮; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৫২; আদ্দুররুল মুখতার ২/১৭৭; আলবাহরুর রায়েক ২/১৬৫
🔹 কিছু মাসায়ালা /
১/ মাসআলা : প্রত্যেক ফরয নামাযের সালামের পর পরই কোনো কথাবার্তা বা নামায পরিপন্থী কোনো কাজ করার আগেই তাকবীরে তাশরীক পড়তে হবে।
২/ মাসআলা : তাকবীরে তাশরীক পুরুষের জন্য জোরে পড়া ওয়াজিব। আস্তে পড়লে তাকবীরে তাশরীক পড়ার হক আদায় হবে না। আর মহিলাগণ নিম্ন আওয়াজে অর্থাৎ নিজে শুনতে পায় এমন আওয়াজে পড়বেন।
৩/ মাসআলা : শুধু পাঁচ ওয়াক্ত ফরযের পর তাকবীরে তাশরীক পড়তে হবে। বিতরের পর এবং অন্য কোনো সুন্নাত বা নফলের পরে পড়ার নিয়ম নেই।
৪/ মাসআলা : ইমাম তাকবীর বলতে ভুলে গেলে মুক্তাদীগণ ইমামের জন্য অপেক্ষা না করে নিজেরা তাকবীর বলবেন।
৫/ মাসআলা : ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত কোনো নামায কাযা হয়ে গেলে এবং ঐ কাযা এই দিনগুলোর ভিতরেই আদায় করলে সে কাযা নামাযের পরও তাকবীরে তাশরীক পড়বেন।
هل يستحب صيام التسع من ذي الحجة ؟
ج/ يستحب فيها كل عمل صالح من صيام، وصدقة، وصلاة، وقراءة قرآن، كما في الصحيحين (ما من أيام العمل الصالح فيها أحب إلى الله من أيام العشر).
وزاد أحمد في المسند وابن أبي شيبة في المصنف - بإسناد حسن - عن ابن عمر مرفوعا (ما من أيام أحب إلى الله فيهن العمل من هذه الأيام أيام العشر، فأكثروا فيهن التكبير والتهليل والتحميد).
وروى البيهقي في السنن عن عمر موقوفا عليه أنه كان يحب قضاء صوم رمضان فيهن، وكان يقول (ما من أيام أحب إلي أن أقضي فيها شهر رمضان من أيام العشر).
الشيخ حاكم المطيري
No comments:
Post a Comment