
শুনে বৃদ্ধাঙ্গুলীদ্বয় চুম্বন করে চোখে মসেহ করা মুস্তাহাব সুন্নত বিষয়ে ৪৫+ দলিলভিত্তিক পোস্টঃ
(১, ২, ৩) আল্লামা ইবনে আবেদীন শামী বলেছেন,
ﻛﺬﺍ ﻓﻰ ﺍﻟﻔﺘﺎﻭﻯ ﻧﺤﻮﻩ ﻓﻰ ﻛﻨﺰ ﺍﻟﻌﺒﺎﺩ ﻗﻬﺴﺘﻨﻰ ﻭ ﺍﻟﺼﻮﻓﻴﻪ ﻭﻓﻰ ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻟﻔﺮﺩﻭﺱ ﻣﻦ ﻗﺒﻞ ﻇﻔﺮﻯ ﺍﻳﻬﺎﻣﻪ ﻋﻨﺪ ﺳﻤﺎﻉ ﺍﺷﻬﺪﺍﻥ ﻣﺤﺪﺍﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﻓﻰ ﺍﻝ ﺍﺫﺍﻥ ﺍﻧﺎ ﻓﺎ ﺣﻪ ﻭﻣﺪ ﺧﻠﻪ ﻓﻰ ﺻﻘﻮﻑ ﺍﻟﺠﻨﺔﻭﺗﻤﺎﻣﻪ ﻓﻰ ﺣﻮﺍﺷﻰ ﺍﻟﺒﺤﺮﺍ ﺍﻟﺮ ﻣﻠﻰ ﻋﻦ ﻣﻌﺎﺻﺪﺍ ﺍﺣﺴﻨﻪ ﻟﻠﺴﺨﺎﻭﻯ ﻭﺫﻟﻚ ﺍﻟﺠﺮ ﺍﺣﻰ ﻭﺍﻃﺎﻝ ﺛﻢ ﻗﺎﻝ ﻭﻟﻢ ﻳﺼﺢ ﻓﻰ ﺍﻟﻤﺮ ﻓﻮﻉ ﻣﻦ ﻛﻞ ﻫﺬﺍ ﺃﺷﻰ .
“অনুরূপভাবে ইমাম কাহেসতানীর কানযুল ইবাদ এবং ফতোয়ায়ে সুফীয়া ও কিতাবুল ফিরদাউসে আছে, যে ব্যক্তি আাযানে শুনে আপন বৃদ্ধাঙ্গুলীর নখ চুম্বন করে, তার সম্পর্কে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আমি তার আগে থাকব ও বেহেশতে দাখিল করাবো। এর বিশদ বিবরণ ইমাম সাখাবীর মাকাসিদুল হাসনাহ হতে বাহরোর রায়েকের হাশিয়ায়ে রমলীতে বর্ণনা করা হয়েছে। জারাহীও অনুরুপভাবে একমত পোষণ করেছেন, তবে তিনি বাড়ায়ে ইহাও বলেছেন যে, এ ব্যাপারে বর্ণিত কোন মরফু হাদীছ ছহীহ হিসেবে প্রমাণিত হয় নাই। (ফতোয়ায়ে শামী, ৩৯৮ পৃষ্ঠা)
(৪, ৫) আল্লামা হাসান ইবনে আম্মার ইবনে আলী শরম্বালালী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন-
ﻭﺫﻛﺮ ﺍﻟﺪﻳﻠﻤﻰ ﻓﻰ ﺍﻟﻔﺮﺩﻭﺱ ﻣﻦ ﺣﺪﻳﺚ ﺍﺑﻰ ﺑﻚ ﺭ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻣﻔﻮﻋﺎﻣﻦ ﻣﺴﺢ ﺍﻟﻌﻴﻦ ﺑﺒﺎﻃﻦ ﺍﻟﻐﻠﺔ ﺍﻟﺒﺴﺒﺎ ﻳﺘﻦ ﺑﻌﺪ ﺗﻘﺒﻴﻠﻬﻤﺎ ﻋﻨﺪ ﻗﻮﻝ ﺍﻟﻤﺆﺫﻥ ﺍﺷﻬﺪﺍﻥ ﻣﺤﺪﺍﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﻗﺎﻝ ﺍﺷﻬﺪﺍﻥ ﻣﺤﻤﺪ ﻋﺒﺪﻩ ﻭﺭﺳﻮﻟﻪ ﺭﺿﻴﺖ ﺑﺎ ﺍﻟﻠﻪ ﺭﺑﺎ ﻭﺑﺎﻻ ﺳﻠﻤﺎﻡ ﺩﻳﻨﺎ ﻭﺑﻤﺤﻤﺪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻧﺒﻴﺎ ﺣﻠﺖ ﻟﻪ ﻭﺫﺍﺭﻭﻯ ﻋﻦ ﺍﻟﺨﻀﻮﺀ ﺷﻔﺎﻋﺘﻰ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﺑﻤﺜﻠﻪ ﺑﻌﻤﻞ ﻓﻰ ﺍﻟﻔﻀﺎﻋﺪ .
ইমাম দায়লামী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ফিরদাউস কিতাবে হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম উনার মরফু হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের ﺍﺷﻬﺪﺍ ﻥ ﻣﺤﻤﺪﺍﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ শুনে শাহাদাত আঙ্গুল দুটির ভিতরের দিক চুম্বন করে চোখে লাগায় এবং -
ﺍﺷﻬﺪﺍﻥ ﻣﺤﻤﺪ ﻋﺒﺪﻩ ﻭﺭﺳﻮﻟﻪ ﺭﺿﻴﺖ ﺑﺎﺍﻟﻠﻪ ﺭﻳﺎ ﺭﻳﺎﻻﺳﻼﻡ ﺩﻳﻨﺎ ﻭﺑﻤﺤﻤﺪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻧﺒﻴﺎ .
এই দোয়া পড়বে তার জন্য আমার শাফায়াত অবধারিত। অনুরূপভাবে খিজির আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণিত আছে, আমলের ফজিলত ও গুরুত্বের ক্ষেত্রে এই সমস্ত হাদীছ গ্রহণযোগ্য। (মারাকিউল ফালাহ, ১৩৭ পৃষ্ঠা, আল মওযুআতুল কবীর, ১০৮ পৃষ্ঠা)
(৬, ৭, ৮, ৯) আল্লামা কাহেসতানী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন,
ﻭﺍﻋﻠﻢ ﺍﻧﻪ ﻳﺴﺘﺤﺐ ﺍﻥ ﻳﻘﺎﻝ ﻋﻨﺪ ﺳﻤﺎﻉ ﺍﻻﻭﻟﻰ ﺳﻮﻝ ﻣﻦ ﺍﻟﺸﻬﺎﺩﺓ ﺍﻟﺜﺎﻧﺒﺔ ( ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻚ ) ﺑﺎﺭ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﻋﻨﺪ ﺳﻤﺎﻉ ﺍﻟﺸﺎﻧﻴﺔ ﻗﺮﺓ ﻋﻴﻨﻰ ﺑﻚ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺛﻢ ﻳﻘﺎﻝ ﺍﻟﻠﻬﻢ ﻣﺘﻌﻨﻰ ﺑﺎ ﻟﺴﻤﻊ ﻭﺍﻟﺒﺼﺼﺮ ﺑﻌﺪ ﻭﺿﻊ ﻇﻐﺮ ﺍﻻﺑﻤﺎ ﻣﻴﻦ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻌﻴﻨﻴﻦ ﻓﺎﻧﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻳﻜﻮﻥ ﻗﺎﺃ ﺩﺍﻟﻪ ﺍﻟﻰ ﺍﻟﺠﻨﻪ .
“জেনে রাখ আযানের সময় শাহাদাতে ছানিয়া অর্থাৎ আশহাদু আন্না মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ প্রথমবার শুনে-
ﻋﻠﻴﻚ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ
বলা এবং উক্ত শাহাদাতের বাক্য দ্বিতীয়বার শুনে ﻗﺮﺓ ﻋﻴﻨﻰ ﺑﻚ ﻳﺎﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ বলা মুস্তাহাব। তৎপর বৃদ্ধাঙ্গুলীদ্ব
য়ের নখ চুম্বন করে-
ﺍﻟﻠﻬﻢ ﻣﺘﻌﻨﻰ ﺑﺎﻟﺴﻤﻊ ﻭﺍﻟﺒﺼﺮ
বলা মুস্তাহাব। এরূপ আমলকারীকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে টেনে বেহেশতে নিয়ে যাবেন। (জামেউর রুমুয, কানযুল ইবাদ, শরহে কবীর, শরহে ইলিয়াস)
(১০) আল্লামা সাখাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি দায়লামী শরীফ উনার বরাত দিয়ে লিখেছেন,
ﻝ ﻟﻤﺎ ﺳﻤﻊ ﺍﺑﻰ ﺑﻜﺮ ﻗﻮﻝ ﺍﻟﻤﺆﺫﻥ ﺍﺷﻬﺪﺍﻥ ﻣﺤﻤﺪﺍ ﺭﺳﻮ ﺑﺘﻴﻦ ﺍﻟﻠﻪ ﻗﺎﻝ ﻫﺬﺍ ﻭﻗﺒﻞ ﺑﺎ ﻃﻦ ﺍﻻﻏﻤﻠﺘﻴﻦ ﺍﻟﺴﺒﺎ ﻭﻣﺴﺢ ﻋﻠﻰ ﻋﻴﻨﻴﻪ ﻓﻘﺎﻝ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻣﻦ ﻓﻌﻞ ﻣﺜﻞ ﻣﺎ ﻓﻌﻞ ﺧﻠﻴﻠﻰ ﻓﻘﺪ ﺣﻠﺖ ﻟﻪ ﺷﻔﺎﻋﺘﻰ .
‘হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম যখন মুয়াজ্জিনকে-
ﺍﺷﻬﺪﺍﻥ ﻣﺤﺪﺍ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ
বলতে শুনলেন তখন তিনিও ইহা বললেন এবং শাহাদাত আঙ্গুল দুটোর ভিতরের দিক চুম্বন করে চোখে লাগালেন, এতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, যে আমার এই প্রিয় বন্দুর কাজের অনুরূপ কাজ করবে, তার জন্য আমার শাফায়াত অবধারিত। (মাকাসিদুল হাসনাহ, ৩৮৪ পৃষ্ঠা)
(১১, ১২) ইমাম সাখাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি হযরত আবুল আব্বাস আহমদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ﺧﻮﺟﺒﺎﺕ ﺍﻟﺮﺣﻤﺔ ﺓﻋﺰﺍﻋﻢ ﺍﻟﻤﻐﺮﺓ কিতাব হতে উদ্ধৃতি দিয়ে স্বীয় কিতাবে উল্লেখ করেছেন, হযরত খিযির আলাইহি ওয়া সালাম বলেন,
ﺍﺷﻬﺪ ﻣﻦ ﻗﺎﻝ ﺣﻴﻦ ﻳﺴﻤﻊ ﺍﻟﻤﺆﺫﻥ ﺑﻘﻮﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﺮﺣﺒﺎﺑﺤﺒﻴﺒﻰ ﻭﻗﺮﺓ ﺍﻥ ﻣﺤﻤﺪﺍ ﻋﻴﻨﻰ ﻣﺤﻤﺪ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺪﺍﻟﻠﻪ ﺛﻢ ﻳﻘﺒﻞ ﺍﺑﻬﺎﻣﻴﻪ ﻋﻠﻰ ﻋﻴﻨﻴﻪ ﻟﻢ ﻳﺮ ﻣﺪﺍ ﺑﺪﺍ - ﻭﻳﺠﻬﻠﻬﻤﺎ .
“যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের ﺍﺷﻬﺪﺍﻥ ﻣﺤﻤﺪﺍﺭ ﺳﻮ ﺍﻟﻠﻪ শুনে ﻗﺮﺓ ﻋﻴﻨﻰ ﻣﺤﻤﺪﺍﺑﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ও ﻣﺮﺣﺒﺎ ﺑﺤﺒﻴﺒﻰ বলবে অত:পর উভয় বৃদ্ধাঙ্গুলী চুম্বনের পর চক্ষুদ্বয় মসেহ করে তাহলে কোন সময় তার চোখ ব্যাখা বেদনায় আক্রান্ত হবে না। (আল মাকাসিদুল হাসনাহ, ৩৮৪ পৃষ্ঠা)
(১৩) ইমাম সাখাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি ইমাম মুহম্মদ বিন সালেহ মাদানীর রচিত ইতিহাস হতে উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, আমি মাজদ মিশরী রহমতুল্লাহি হতে শুনেছি যিনি পূর্ণত্মা কামেল বান্দাগণের অন্যতম ছিলেন তিনি বলেন,
ﻣﻦ ﺻﻠﻰ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻨﺒﻰ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺍﺫﺍ ﺳﻤﻊ ﺫﻛﺮﻩ ﻓﻰ ﺍﻻﺫﺍﻥ ﻭﺟﻤﻊ ﺍﺻﺒﻌﻴﻪ ﺍﻝ ﻣﺴﺒﺤﺔ ﻭﺍﻻﺑﻬﺎﻡ ﻭﻗﺒﻠﻬﻤﺎ ﻭﻣﺴﺢ ﺑﻬﻤﺎ ﻋﻠﻰ ﻋﻴﺌﻴﻪ ﻟﻢ ﻣﺪ ﺍﺑﺪﺍ -
“যে ব্যক্তি আযানে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পবিত্র নাম শুনে দুরূদ শরীফ পাঠ করে এবং কালেমায় অঙ্গুলী ও বৃদ্ধাঙ্গুলী চুম্বন করে চোখের উপরে মসেহ করে, কখনো তার চোখে যন্ত্রনা হবে না। (আল মাকাসিদুল হাসনাহ, ৩৮৪ পৃষ্ঠা)
(১৪) ইমাম সাখাবী, ইমাম মুহম্মদ বিন সালেহ রচিত ইতিহাস হতে নকল করে বলেন, ইরাকের অনেক ধর্মবক্তা হতে বর্ণিত হয়েছে যে, বৃদ্ধাঙ্গুলী চুম্বন করার সময় নিম্নোক্ত দরূদ শরীফ পড়বে-
ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﺢ ﻳﺎ ﺳﻴﺪﻯ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﻳﺎ ﺣﺒﻴﺐ ﻗﻠﺒﻰ ﺭﺑﺎﻧﻮﺭ ﺑﺼﺮﻯ ﻭﻳﺎﻗﺮﺓ ﻋﻴﻨﻰ .
ইহার ফলে মহান আল্লাহ পাক উনার রহমতে তার চোখ কখনও যন্ত্রনা কাতর হবে না, ইহা পরীক্ষিত অতঃপর উক্ত ইমাম সাহেব বলেন, ইহা শুনার পর হতে অদ্যাবধি এই কল্যাণময় কাজ করে আসতেছি, আজ পর্যন্ত আমার চোখ ব্যাথাক্লিষ্ট হয় নাই এবং ইনশাআল্লাহ হবেও না। (আল মাকসিদুল হাসনাহ)
(১৫) ইমাম সাখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি ইমাম তাউস রহমতুল্লাহি আলাইহি হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি খাজায়ে হাদীছ মুহম্মদ বিন আবু নসর বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি হতে নিম্নে বর্ণিত পবিত্র হাদীছ শরীফ শুনেছেন-
ﻣﻦ ﻗﺒﻞ ﻋﻨﺪ ﺳﻤﺎﻋﻪ ﻣﻦ ﺍﻟﻤﺆﺫﻥ ﻛﻠﻤﺔ ﺍﻟﺸﻬﺪﺓ ﻇﻔﺮ ﻯ ﺍﺑﻬﺎ ﻣﻴﻪ ﻭﻣﺴﺤﻬﻤﺎ ﻋﻠﻰ ﻋﻴﻨﻴﻪ ﻭﻗﺎﻝ ﻋﻨﺪ ﺍﻟﻤﺲ ﻝ ﺍﻟﻠﻬﻢ ﺍﺣﻔﻂ ﺣﺪ ﻗﺘﻰ ﻭﻧﻮﺭﻫﻤﺎ ﺑﺒﺮ ﻛﺔ ﺣﺪ ﻗﺒﻰ ﻣﺤﻤﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻭﻧﻮﺭ ﻫﻤﺎ ﻟﻢ ﻳﻌﻢ .
যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের উচ্চারিত কলেমায়ে শাহাদাত শুনে স্বীয় বৃদ্ধাঙ্গুলীর নখে চুম্বন দেয় ও তার চোখে মসেহ করে আর এই দোয়া পড়ে,
ﺍ ﺍﻟﻠﻬﻢ ﺍﺣﻔﻂ ﺣﺪ ﻗﺘﻰ ﻭﻧﻮﺭ ﻫﻤﺎ ﺑﻴﺮﻛﺔ ﺣﺪﻗﺘﻰ ﻣﺤﻤﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻭﻧﻮﺭﻫﻤﺎ .
সে কখনও অন্ধ হবে না। (আল মাকাসিদুল হাসনাহ ৩৮৫ পৃষ্ঠা)
(১৬, ১৭) শাফেয়ী মাযহাবের বিখ্যাত কিতাব-
ﺍﻋﺎﻧﺔ ﺍﻟﻄﺎﻟﺒﻴﻦ ﻋﻠﻰ ﺣﻞ ﺍﻟﻔﺎﻅ ﻓﺘﺢ ﺍﻟﻤﺒﻴﻦ এর ২৪৭ পৃষ্ঠা এবং মালেকী মাযহাবের বিখ্যাত কিতাব
ﻛﻔﺎﻳﺔ ﺍﻟﻄﺎﻟﺐ ﺍﻟﺮﻳﺎﻧﻰ ﻟﺮﺳﺎﻟﺔ ﺍﺑﻰ ﺯﻳﺪ ﺍﻟﻘﻴﺮ .
ﻭﺍﻧﻰ –এর ১৬৯ পৃষ্ঠায় বর্ণিত আছে যে, যখন আযানে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নাম মুবারক শুনবে তখন দূরূদ শরীফ পড়বে তারপর বৃদ্ধাঙ্গুলী চুম্বন করে চোখের উপর রাখবে। ফলে কোন কালেও অন্ধ হবে না; আর চোখেও রোগ হবে না।
(১৮) মককাতুল মুকাররমার হানাফী ওলামাগণের নেতা শায়খুল মাশায়েখ রঈসুল মোহাক্কেকীন মাওলানা জামাল বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর মক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহি স্বীয় ফতওয়াতে বলেন-
ﺱﺀﻟﺖ ﻋﻦ ﺗﻘﺒﻴﻞ ﺍﻻﺑﻬﺎ ﻣﻴﻦ ﻭﻭ ﺿﻌﻬﻤﺎ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻌﻴﻨﻴﻦ ﻋﻨﺪ ﺫﻛﺮ ﺍﺳﻤﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻓﻰ ﺯﺍﻡ ﻻ؟ ﺍﺟﻴﺖ ﻳﻤﺎ ﺍ ﺍﻻﺫﺍﻥ ﻫﻞ ﻫﻮﺟﺎﺃ ﻧﺼﻪ ﻧﻌﻢ ﺗﻌﺒﻴﺎ ﺍﻻ ﺑﻬﺎ ﻣﻴﻦ ﻭﻭ ﺻﻬﻌﻬﻤﺎ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻌﻴﻨﻴﻦ ﻋﻨﺪ ﺫﻛﺮ ﺍﺳﻤﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻓﻰ ﺍﻻﺫﺍﻥ ﺟﺎﺃﺯ ﺯﺑﻞ ﻫﻮ ﻣﺴﺘﺤﺐ ﺻﺮﺣﺒﻪ ﻣﺸﺎﺃﺧﻨﺎ .
“আমাকে প্রশ্ন করা হলো যে, আযানে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নাম মুবারক উচ্চারন কালে বৃদ্ধাঙ্গুলী চুম্বন করা এবং চোখের উপর তা মসেহ করা জায়েয কি না? আমি উহার উত্তরে বললাম, হ্যাঁ, আযানে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম উনার পবিত্র নাম মুবারক শুনে বৃদ্ধাঙ্গুলী চুম্বন ও তা চোখের উপর স্থাপন করা জায়েয বরং মুস্তাহাব। এই আমল মুস্তাহাব হওয়ার ব্যাপারে আমাদের মাশায়েখগণ স্পষ্ট বর্ণনা দিয়েছেন। (মুনীরুল আইন ফি তাকবীমুল ইবহামহিন)
(১৯) শায়খ আল্লামা নুরুদ্দিন খোরাসানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি আযানের মধ্যে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক নাম শুনে বৃদ্ধাঙ্গুলী চুম্বন করতাম, অতঃপর এই আমল বর্জন করলাম, ফলে আমার চোখে পীড়া দেখা দিল। (এর পরের ঘটনা এখানে উদ্ধৃত করা হলো)-
ﻓﺮﺍﻳﺘﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻣﻨﺎ ﻣﺎ ﻓﻘﺎﻝ ﻟﻢ ﺗﺮ ﻛﺖ ﻣﺴﺢ ﻋﻴﻨﻴﻚ ﻋﻨﺪﺍ ﻻ ﺫﺍﻥ ﺍﻥ ﺍﺭﺩﺕ ﺍﻥ ﺗﺒﺮ ﻋﻌﻴﻨﺎﻙ ﻓﻌﺪﺍﻟﻰ ﺍﻟﻤﺴﺢ ﻓﺎﺳﺘﻴﻘﺖ ﻭﻣﺴﺤﺖ ﻓﺒﺮ ﺃﺕ ﻭﻟﻢ ﻳﻌﺎ ﻭﺩﻧﻰ ﻣﺮ ﺿﻬﻤﺎ ﺍﻟﻰ ﺍﻻﻥ .
“ইহার পর আমি স্বপ্নে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাক্ষাৎ লাভ করলাম। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি আযানের সময় বৃদ্ধাঙ্গুলী চুম্বন করে উহা চোখে লাগানো পরিহার করেছ কেন? যদি তোমার চক্ষু রোগ থেকে মুক্তির ইচ্ছা থাকে, তবে পুনরায় এই আমল শুরু কর। অতঃপর আমি জেগে এই কাজ শুরু করেছি। তখন আমার চুক্ষু(রোগ হতে) ভাল হয়ে যায়। এরপর অদ্যাবধি আমার চোখে আর কোন ধরণের রোগ হয় নাই।” (নাহজুস সালামাহ ফি তাকবীলিল ইবহাসাইনে ফিল ইকামাহ)
(২০) অঙ্গুলী চুম্বন এর প্রসঙ্গে আল্লামা আব্দুল হাই লক্ষেবী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন-
ﺑﻌﺾ ﻓﻘﻬﺎ ﻣﺴﺘﺤﺐ ﻧﻮ ﺷﺘﻪ ﺍﻧﻪ ﻭﺣﺪﻳﺢ ﻫﻢ ﺩﺭ ﺍﻳﻦ ﺑﺎﺏ ﻧﻘﻞ ﻣﻴﺴﺎﺯﻧﺪ ﻣﻜﺮ ﺻﺤﻴﺢ ﻧﻴﺴﺖ ﻭﺩﺭﺍﻣﺮ ﻣﺴﺘﺤﺐ ﻓﺎﻋﻞ ﻭﺗﺎﺭﻙ ﻗﺎﺑﻞ ﻣﻼﻣﺖ ﻭﺑﺸﻨﻴﻊ ﻧﻴﺴﺘﻨﺪ ﺩﺭﺟﺎﻣﻊ ﺍﻟﺮ ﻣﻮﺯﺣﻰ ﺍﺭﺩ -
ﺍﻋﻠﻢ ﺍﻧﻪ ﻳﺴﺘﺤﺐ ﺍﻥ ﻳﻌﺎﻝ ﻋﻨﺪ ﺳﻤﺎﻉ ﺍﻻ ﻭﻟﻰ ﻣﻨﺎ ﻟﺸﻬﺎﺩﺓ ﺻﻠﻪ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻚ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺛﻢ ﺳﻤﺎﻉ ﺍﻟﺜﺎ ﻧﻴﺔ ﻗﺮﺓ ﻋﻴﻨﻰ ﺑﻚ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺋﻤﺢ ﻳﻘﺎﻝ ﺍﻟﻠﻬﻢ ﻣﺘﻌﻨﻰ ﺑﺎ ﻟﺴﻤﻊ ﻭﺍﻟﺒﺼﺮ ﻭﺑﻌﺪ ﻭﺿﻊ ﻇﻐﺮ ﺍﻟﺒﺪﻳﻦ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻌﻴﻨﻴﻦ ﻓﺎﻧﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻰ ﻭﺳﻠﻢ ﻳﻜﻮ ﻗﺎﺍﺩﺍ ﻟﻪ ﺍﻟﻰ ﺍﻟﺠﻨﺔ .
“কোন কোন ফিক্বাহ বিশারদগণ ইহাকে (অঙ্গুলী চুম্বন) মুস্তাহাব বলেছেন, এবং এ ব্যাপারে হাদীছ শরীফ উদ্ধৃত করেছেন, কিন্তু হাদীছটি সহীহ নহে। (ইহার অর্থ এই নয় যে পবিত্র হাদীছ শরীফ বাতিল বরং পবিত্র হাদীছ শরীফটি আমলের ক্ষেত্রে গ্রহণীয়) মুস্তাহাব কাজ করা নও না করার জন্য কেউহ তিরষ্কৃত ও নিন্তিত হবে না। জামেউর রুমুয কিতাবে আছে- জেনে রাখ, আযানের সময় প্রথমবার শাহাদাত বাক্য শুনার পর-
ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻚ ﻳﺎ ﺭﻳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ও দ্বিতীয়বার শাহাদাত বাক্য শুনার পর-
ﻗﺮﺓ ﻋﻴﻨﻰ ﻳﻚ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﻠﻬﻢ ﻣﺘﻌﻨﻰ ﺑﺎ ﻟﺴﻤﻊ ﻭﺍﻟﺒﺼﺮ.
তৎপর উভয় হাতের নখ চুম্বন করে চোখের উপর স্থাপন করবে। এরূপ আমলকারীকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজে টেনে জান্নাতে নিয়ে যাবেন।”
(২১) ফতওয়ায়ে দেওবন্দ এর মধ্যে আছে-
ﺳﻮﺍﻝ : ﺍﺫﺍﻥ ﻣﯽ ﺑﻮﻗﺖ ﺷﮭﺎﺩﺗﯿﻦ ﺍﻧﮕﻮﮬﮯ ﮐﻮ ﺑﻮﺳﮧ ﺩﯾﻨﺎ ﮐﯿﺴﺎﮬﮯ ﺟﻮ ﺷﺨﺺ ﺍﺱ ﺳﮯ ﻣﻨﻊ ﮐﺮﮮ ﺍﺱ ﮐﯽ ﺍﻗﺘﺪﺍ ﻧﻤﺎﺯ ﻣﯿﯽ ﺟﺎﺋﺰ ﺟﻮ ﺍﻧﮕﻮ ﮬﻮﻥ ﮐﻮ ﺑﻮﺳﮧ ﻧﮧ ﮬﮯ ﯾﺎ ﻧﮭﯽ ﺍﻭﺭ ﺩﮮ ﻭﮦ ﮔﻨﮭﮕﺎﺭ ﮬﮯ ﯾﺎ ﻧﮧ ﺍﮔﺮ ﺑﻮ ﺳﮧ ﺩﯾﻨﺎ ﻣﺴﺘﺤﺐ ﯾﺎ ﺳﻨﺖ ﮬﮯ ﺗﻮ ﺍﺱ ﮐﯽ ﺩﻟﯿﻞ ﮐﯿﺎ ﮬﮯ ﻣﺴﺘﺤﺐ ﯾﺎ ﺳﻨﺖ ﮬﮯ ﺗﻮ ﺍﺱ ﮐﯽ ﺩﻟﯿﻞ ﮐﯿﺎ ﮬﮯ : ﺍﺳﺘﺤﯿﺎﺏ ﺗﻘﺒﯿﻞ ﺍﺑﮭﺎﻣﯿﻦ ﮐﯽ ﺩﻟﯿﻞ ﺍﻟﺠﻮﺍﺏ ﺳﻤﯽ ﮐﯽ ﯾﮧ ﻋﺒﺎﺭﺕ ﮬﮯ ﯾﺴﺘﺤﺐ ﺍﻥ ﯾﻘﺎﻝ ﻋﻨﺪ ﺳﻤﻊ ﺍﻻﻭﻟﯽ ﻣﻦ ﺍﻟﺸﮭﺎﺩﺗﯿﻦ ﺻﻠﯽ ﺍﻟﻠﮧ ﻋﻠﯿﮏ ﯾﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﮧ ﻭ ﻋﻨﺪ ﺍﻟﺜﺎﻧﯿۃ ﻣﻨﮭﺎ ﻗﺮۃ ﻋﯿﻨﯽ ﺑﻚ ﯾﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﮧ ﺻﻠﯽ ﺍﻟﻠﮧ ﻋﻠﯿﮧ ﻭﺳﻠﻢ ﺛﻢ ﯾﻘﻮﻝ ﺍﻟﻠﮭﻢ ﻣﺘﻌﻨﯽ ﺑﺎﻟﺴﻤﻊ ﻭ ﺍﻟﺒﺼﺮ ﺑﻌﺪ ﻭﺿﻊ ﻇﻔﺮﯼ ﺍﻻﺑﮭﺎ ﻣﯿﻦ ﻋﻠﯽ ﺍﻟﻌﯿﻨﯿﻦ ﻓﺎﻧﮧ ﻋﻠﯿﮧ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﯾﻘﻮﻥ ﻗﺎﻋﺪ ﺍﻟﮧ ﻓﯽ ﺍﻟﺠﻨۃ ﮐﺬﺍﻓﯽ ﮐﻨﺬ ﺍﻟﻌﺒﺎﺩ ﻭ ﻗﮭﺴﺘﺎ ﻧﯽ ﻭ ﻧﺤﻮﮦ ﻓﯽ ﺍﻟﻔﺘﺎﻭﯼ ﺍﻟﺼﻮﻓﯿۃ ﻭ ﻓﯽ ﮐﺘﺎﺏ ﺍﻟﻔﺮﺩﻭﺱ ﻣﻦ ﻗﺒﻞ ﻇﻔﺮﯼ ﺍﺑﮭﺎ ﻣﯿﮧ ﻋﻨﺪ ﺳﻤﺎﻉ ﺍﺷﮭﺪ ﺍﻥ ﻣﺤﻤﺪﺍ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﮧ ﺻﻠﯽ ﺍﻟﻠﮧ ﻋﻠﯿﮧ ﻭﺳﻠﻢ ﻓﯽ ﻻﺫ ﺍﻥ ﺍﻧﺎ ﻗﺎﺋﺪﮦ ﻭﻣﺪﺧﻠﮧ ﻓﯽ ﺻﻔﻮﻑ ﺍﻟﺠﻨۃ ﻭﺗﻤﺎﻣﮧ ﻓﯽ ﺣﻮﺍﺷﯽ ﺍﻟﺠﺮ ﺍﻟﺮﻣﻠﯽ ﻋﻦ ﺍﻟﻤﻘﺎﺻﺪ ﺍﻏﺴﻨۃ ﻟﻠﺴﺨﺎﻭﯼ ﻭ ﺫﮐﺮ ﺫﻟﮏ ﺍﻟﺠﺮﺍﺣﯽ ﻭ ﺍﻃﺎﻝ ﺛﻤﮯ ﻗﺎﻝ ﻭ ﻟﻢ ﯾﺼﺢ ﻓﯽ ﺍﻟﻤﺮﻓﻮﻉ ﻣﻦ ﮐﻞ ﮬﺬﺍ ﺷﺌﯽ -
ﺍﺧﺮ ﻋﺒﺎﺭﺕ ﺷﺎﻣﯽ ﺳﮯ ﯾﮧ ﺑﮭﯽ ﻭﺍﺿﺢ ﮬﻮﺍ ﮐﮧ ﮐﻮﺋﯽ ﻣﻔﻮﻉ ﺣﺪﯾﺚ ﺻﺤﯿﺢ ﺍﺱ ﺑﺎﮮ ﻣﯿﻦ ﻧﮭﯿﯽ ﮬﮯ ﻏﯿﺎﺕ ﺑﮧ ﮐﮧ ﺿﻌﯿﻒ ﺣﺪﯾﺚ ﭘﺮ ﺑﮭﯽ ﻓﻀﺎﺋﻞ ﺍﻋﻤﺎﻝ ﻣﯿﻦ ﻋﻤﻞ ﮐﺮﻧﺎ ﺩﺭﺳﺖ ﮬﮯ ﻣﮕﺮ ﺍﺱ ﮐﯽ ﺷﺮﻁ ﯾﮧ ﮬﮯ ﮐﮧ ﺍﺱ ﻓﻌﻞ ﮐﻮ ﻣﺴﻨﻮﻥ ﻧﮧ ﺳﻤﺠﮧ - ﮐﺬﺍ ﻓﯽ ﺍﻟﺪﺭﺍﻟﻤﺨﺘﺎﺭ ﭘﺲ ﭼﻮﻧﮑﮯ ﺑﻌﺾ ﻋﻮﺍﻡ ﮐﻮ ﺍﺱ ﻣﯿﻦ ﻏﻠﻮ ﮬﻮﮔﯿﺎ ﺍﻭﺭ ﺍﺱ ﮐﻮ ﺳﻨﺖ ﺳﻤﺠﮧ ﮐﺮ ﮔﺮﺗﮯ ﮬﯿﻦ ﺍﻭﺭ ﺗﺎﺭﮎ - ﭘﺮ ﻃﻌﻦ ﻭ ﻣﻼﻣﺖ ﮐﺮ ﺗﮯ ﮬﯿﻦ ﺍﺱ ﻟﺌﮯ ﺗﺮﮎ ﺍﺱ ﮐﺎ ﻋﻠﻤﺎﺀ ﻣﺤﻘﻘﯿﻦ ﺍﺣﻮﻁ ﺳﻤﭽﮧ ﮬﯿﻦ ﺍﻭﺭ ﺭﮦ ﺷﺨﺺ ﮔﻨﺎﮦ ﮔﺎﺭ ﻧﮭﯿﯽ ﺍﻗﺘﺪﺍﺋﯽ ﺍﺱ ﮐﯽ ﺩﺭﺳﺖ ﮬﮯ -
“আযানে আশহাদু আন্না মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ উচ্চারণের সময় অঙ্গুলী চুম্বন করা কি? যে ব্যক্তি উহা হতে কাউকে ফিরিয়ে রাখে তার পিছনে নামাযের ইত্তেদা করা কী জায়িয অথবা না? এবং যে ব্যক্তি অঙ্গুলী চুম্বন না করে ঐ ব্যক্তি কী গুনাহগার হবে অথবা না? অঙ্গুলী চুম্বন করা যদি মুস্তাহাব বা সুন্নাত হয় তাহলে ইহার দলীল কিরূপ?
উত্তর: উভয় বৃদ্ধাঙ্গুলী চুম্বন দেয়া মুস্তাহাব। ইহার দলীল হলো শামী কিতাবের এই ইবারত। আযানের সময় শাহাদাতে ছানিয়া অর্থাৎ আশহাদুআন্না মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ প্রথমবার শুনে
ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻚ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ বলা এবং দ্বিতীয়বার শুনে ﻗﺮﺓ ﻋﻴﻨﻰ ﺑﻚ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻞ
বলা মুস্তাহাব; তৎপর দৃদ্ধাঙ্গুলীদ্বয়ের নখ চুম্বন করে।
ﺍﻟﻠﻬﻢ ﻣﺘﻌﻨﻰ ﺑﺎﻟﺴﻤﻊ ﻭﺍﻟﺒﺼﺮ বলা মুস্তাহাব এরূপ আমলকারীকে রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে টেনে বেহেশতে নিয়ে যাবেন। ইহা ইমাম কাহেসতানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কানযুল ইবাদে উল্লেখ আছে। অনুরূপভাবে ফতওয়ায়ে সুফীয়াতে ও কিতাবুল ফিরদাউসে উল্লেখ আছে, যে ব্যক্তি আযানে
ﺍﺷﻬﺪ ﺍﻥ ﻣﺤﻤﺪﺍ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ শুনে আপন বৃদ্ধাঙ্গুলীর নখ চুম্বন করে তার সম্পর্কে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আমি তাকে টেনে বেহেশতের কাতারে প্রবেশ করাবো। উহার বিশদ বিবরণ ইমাম সাখাবীর মাকাসিদুল হাসনাহ হতে বাহরুর রায়েকের হাশিয়ায়ে মলীতে বর্ণনা করা হয়েছে। ইসমাইল জারাহী অনুরূপ তা পোষন করেছেন, তবে তিনি বাড়িয়ে ইহাও বলেছেন যে, এ ব্যাপারে বর্ণিত কোন মরফু হাদীছ শরীফ ও সহীহ ....... প্রমাণিত হয় নাই। (ফতওয়ায়ে দেওবন্দ দ্বিতীয় জিলদ ১০৭ পৃষ্ঠা)
শামী কিতাবের শেষোক্ত এবারতে ইহাও বর্ণনা করা হয়েছে যে, এ ব্যাপারে কোন মরফু সহীহ হাদীছ নেই দ্বঈফ হাদীছ শরীফও ফজিলতের আমলসমূহে আমল করা যায়েয, কিন্তু শর্ত হলো উক্ত কাজকে সুন্নাত অর্থাৎ সুন্নতে মুয়াকাদা মনে করা যাবে না। ইহা দররুল মোখতার কিতাবে উল্লেখ আছে। সুতরাং যেহেতু কোন কোন ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ী হয়ে গেছে আর ইহাকে সুন্নত অর্থাৎ সুন্নতে মোয়াক্কাদাও মনে করে থাকে এবং ইহার তরককারীকে তিরষ্কৃত ধিকৃত করে থাকে এজন্য এই আমল হতে বিরত থাকাকে ওলামায়ে মোকাক্কেকীন নাবধানতা অবলম্বন মনে করে থাকেন আর তরককারী গুনাহগার হবে না, আর এ ব্যক্তির পিছনে এক্তেদা করা জায়িয। (ফতওয়ায়ে দেওব্দ জিলদে সানী ১০৭ পৃষ্ঠা)
(২১) ছলাতে নখশী কিতাবে উল্লেখ আছে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ও”য়া সাল্লাম বলেছেন-
ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻣﻦ ﺳﻤﻊ ﺍﺳﻤﻰ ﻓﻰ ﺍﻟﻠﺬﺍﻥ ﻭﻭﺿﻊ ﺍﺑﻬﺎ ﻣﻴﻪ ﻋﻠﻰ ﻋﻴﻨﻴﻪ ﻓﺎﻧﺎ ﻃﺎﻟﺒﻪ ﻓﻰ ﺻﻔﻮﻑ ﺍﻟﻘﻴﺎﻣﺔ ﻭﻗﺎﺍﺩﺍﻩ ﺍﻟﻰ ﺍﻟﺠﻨﺔ .
“যে ব্যক্তি আযানের মধ্যে আমার নাম শুনলো এবং তার উভয় অঙ্গুলী দুচোখের উপর রাখল, আমি তাকে কিয়ামতের দিন ছফের মধ্যে তালাশ করবো এবং বেহেশতে প্রবেশ করাবো।
(২৩) অঙ্গুলী চুম্বন মুস্তাহাব। (ফতওয়ায়ে সিদ্দিকীয়া)
(২৪, ২৫) শাহ সূফী হযরত ছদরুদ্দিন আহমদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার লিখিত ইলমে তাসাউফ, মহান আল্লাহ পাক উনাকে পাইবার তত্ব, নকশবন্ধিয়া মোজাদ্দেদীয়া তরীকা কিতাবে এবং আহওয়ালে আনিয়া কিতাবে বর্ণিত আছে, একদিন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমায়া নামাযের পূর্বে মসজিদের মধ্যে বসেছিলেন, হযরত বিলাল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু আযান দিতে লাগলেন, যখন এই কালাম বললেন, তখন হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম দুহাতের আঙ্গুল উনার দুচোখের উপর ফিরালেন এবং বললেন, ﻗﺮﺓ ﻋﻴﻨﻰ ﺑﻚ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ যখন আযান শেষ হলো, তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, হে হযরত আবু বকর ছিদ্দীক আলাইহিস সালাম! যে ব্যক্তি এরূপ বলবে এবং শওক ও মুহব্বতের সাথে করবে, যেমন তুমি বলেছ ও করেছ, মহান আল্লাহ তায়ালা তার পুরাতন ও নতুন, আমাদান ও খাতায়ান, পুশিদা ও জাহের সমস্ত গুনাহ মাফ করবেন এবং আমি তার শুপারিশকারী হবো।
(২৬)
ﺍﻟﻤﺆﺫﻥ ﻭﻗﺎﻝ ﺍﻟﻨﻮﻭﻯ ﻣﺴﺘﺤﺒﺔ ﻓﻴﻘﻮﻝ ﺑﻤﺜﻞ ﻣﺎ ﻳﺜﻮﻝ ﻣﻴﻪ ﻭﺿﻌﻒ ﺗﻘﺒﻴﻞ ﻇﻐﺮﻯ ﺍﺑﻪ ﻣﻊ ﻣﺴﺒﺤﺘﻴﻪ ﻭﺍﻟﻤﺴﺢ ﻋﻠﻰ ﻋﻴﻨﻴﻪ ﻋﻨﺪ ﻗﻮﻟﻪ ﻟﻢ ﻳﺜﺒﺖ ﻓﻰ ﺍﻟﺤﺪﻳﺚ ﺍﻟﻤﺮ ﻣﺤﻤﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﻻ ﻧﻪ ﺍﺗﻔﻘﻮﺍ ﻋﻠﻰ ﺍﻥ ﺍﻟﺤﺪﻳﺚ ﻓﻮﻍ ﻟﻜﻦ ﺍﻟﻤﺤﺪﺛﻴﻦ ﺑﻪ ﻓﻰ ﺍﻟﺘﺮ ﻏﻴﺐ ﻭﺍﻟﺘﺮ ﺍﻟﻀﻌﻴﻔﻴﺠﻮﺯ ﺍﻟﻌﻤﻞ ﻫﻴﺐ ﻓﻘﻂ .
অর্থ : “ইমাম নববী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন (আযানের জাওয়াব) দেয়া মুস্তাহাব। মুয়াজ্জিন যা বলবে, শ্রবণকারীও তাই বলবে। আর মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ বলার সময় নিজের শাহাদাত অঙ্গুলীসহ বৃদ্ধাঙ্গুলীদ্বয়ের নখকে চুম্বন দেয়ার বিধান দ্বইফ রেওয়ায়েত সম্মত। কেননা ইহা মরফু পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত হয়। কিন্তু মুহাদ্দিসীনে কিরাম এ ব্যাপারে ঐক্যমত পোষণ করেন যে, (আমলের জন্য) উৎসাহ প্রদান ও ভীতি প্রদর্শনের বেলায় দ্বঈফ হাদীছ অনুযায়ী আমল করা জায়িয। (রুহুল বয়ান ২য় খ-, ৪১০ পৃষ্ঠা)
(২৭)
ﻗﻞ ﻳﻌﻀﻬﻤﺴﺘﺎﺑﻬﺎ ﻣﻴﻨﻴﺮ ﺣﺸﻢ ﻣﺎ ﻟﻴﺪﻩ ﺍﻳﻦ ﺩﻋﺎ ﺑﺠﻮﺍﻧﺪ ( ﺍﻟﻠﻬﻢ ﻣﺘﻔﻰ (
“কেহ কেহ বলেন, উভয় বৃদ্ধাঙ্গুলীর পীঠ চোখের উপর রেখে এই দোয়া পড়তে হবে।”
ﺍﻟﻠﻪ ﻣﺘﻌﻰ ﺑﺎﻟﺴﻤﻊ ﻭﺍﻟﺒﺼﺮ (রুহুল বয়ান ৭ম খ-, ২২৮ পৃষ্ঠা)
(২৮, ২৯)
ﺗﺎﺧﻦ ﻫﺮ ﺩﻭ ﺍﺑﻬﺎﻡ ﺭﺍﺑﺮ ﺣﺸﻢ ﻧﻬﺪ ﺑﻄﺮﻳﻖ ﻭﺿﻊ ﻧﻪ ﺑﻄﺮﻳﻖ ﻣﺪ .
“উভয় বৃদ্ধাঙ্গুলীর নখকে চোখের উপর রাখতে হবে, কিন্তু টানতে হবে না। (রুহুল বয়ান ৭ম খণ্ড, ২২৯ পৃষ্ঠা, ছালাতে নজুমী)
(৩০) আহসানুল ফতওয়া কিতাবে আছে,
ﺳﻮﺍﻝ : ﺍﺫﺍﻥ ﻣﯿﻦ ﺍﺷﮭﺪ ﺍﻥ ﻣﺤﻤﺪﺍ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﮧ ﭘﺮ ﺟﻮ ﻟﻮﮒ ﺍﻧﮕﻮﮬﮯ ﭼﻮ ﻣﺘﮯ ﮬﯿﻦ ﻭﮦ ﺛﺒﻮﺕ ﻣﯿﮧ ﻣﻨﺴﻠﮑﮧ ﻋﺒﺎﺭﺕ ﭘﯿﺶ ﮐﺮﺗﮯ ﮬﯿﻦ ﻣﻼﺣﻈﮧ ﻓﺮﻣﺎ ﮐﺮ ﺗﺼﺪﯾﻖ ﯾﺎ ﺗﺮﺩﯾﺪ ﻓﺮﻣﺎﺋﯽ ﺟﺎﺋﮯ ﻋﺒﺎﺭﺕ ﯾﮧ ﮬﮯ ﺣﻀﺮﺕ ﻋﻼﻣﮧ ﻧﺒﮭﺎﻧﯽ ﺭﺣﻤۃ ﺍﻟﻠﮧ ﻋﻠﯿﮧ ﻧﮯ " ﺣﺠۃ ﺍﻟﻠﮧ ﻋﻠﯽ ﺍﻟﻌﺎﻟﻤﯿﮟ ﻣﯿﻦ ﯾﮧ ﺭﻭﺍﯾﺖ ﺩﺭﺝ ﻓﺮﻣﺎﺋﯽ ﮬﮯ ﺑﻨﯽ ﺍﺳﺮﺍﺋﯿﻞ ﻣﯿﻦ ﺍﯾﮏ ﺷﺨﺺ ﺗﮭﺎ ﺟﺲ ﻧﮯ ﺩﻭﺳﻮ ﺳﺎﻝ ﺗﮏ ﺧﺪﺍﮐﯽ ﻧﺎﻓﺮﻣﺎﻧﯽ ﮐﯽ ﻣﺮﻧﮯ ﮐﮯ ﺑﻌﺪ ﻟﻮﮔﻮﻥ ﻧﮯ ﺍﺳﮑﻮ ﮔﻨﺪﯼ ﺟﮕﮧ ﭘﺮ ﭘﮭﯿﻨﮏ ﺩﯾﺎ - ﺍﻟﻠﮧ ﺗﻌﺎﻟﯽ ﻧﮯ ﺣﻀﺮﺕ ﻣﻮﺳﯽ ﻋﻠﯿﮧ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﮐﻮ ﺍﺳﮯ ﺍﮬﺎﮐﺮ ﺑﺎﻋﺰﺕ ﺩﻓﻨﺎﻧﮯ ﮐﺎ ﺍﻭﺭ ﺍﺱ ﮐﮯ ﻟﺌﮯ ﺩﻋﺎﺋﮯ ﻣﻐﻔﺮﺕ ﮐﺎ ﺣﮑﻢ ﺩﯾﺎ - ﺣﻀﺮﺕ ﻣﻮﺳﯽ ﻋﻠﯿﮧ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻧﮯ ﻋﺮﺽ ﮐﯿﺎ ﮐﮧ ﻟﻮﮒ ﺍﺳﮑﮯ ﻧﺎﻓﺮﻣﺎﻥ ﮬﻮﻧﮯ ﮐﯽ ﺷﮭﺎﺩﺕ ﺩﯾﺘﮯ ﮬﯿﻦ ﺍﺭﺷﺎﺩ ﮬﻮﺍﮬﯿﮏ ﮬﮯﮐﮧ ﻭﮦ ﮔﻨﮭﮕﺎﺭ ﺗﮭﺎ ﻣﮕﺮ ﻭﺟﺐ ﺗﻮﺭﺍﺕ ﮐﻮ ﺍﻧﮑﮧ ﮐﮭﻮﻟﺘﺎ ﺗﮭﺎ ﺍﻭﺭ ﻣﯿﺮﮮ ﻣﺤﺒﻮﺏ ﻣﺤﻤﺪ ﺻﻠﯽ ﺍﻟﻠﮧ ﻋﻠﯿﮧ ﻭﺳﻠﻢ ﮐﺎ ﻧﺎﻡ ﺩﯾﮑﮭﺘﺎ ﺗﻮ ﻭﮦ ﺍﺱ ﮐﺎ ﻧﺎﻡ ﭼﻮﻣﺘﺎ ﺍﻭﺭ ﺍﭘﻨﯽ ﺍﻧﮑﮭﻮﻥ ﭘﺮ ﻟﮕﺎﺗﺎ ﺗﮭﺎ ﺍﺱ ﻟﺌﮯ ﻭﮦ ﻣﺠﮭﮯ ﭘﯿﺎﺭﺍ ﻟﮕﺘﺎ ﮬﮯ ﻣﯿﻦ ﻧﮯ ﺩﻭﺳﻮ ﺳﺎﻝ ﮐﮯ ﮔﻨﺎﮦ ﺑﺨﺴﺪ ﯾﺌﯽ - ﺍﺱ ﮐﮯ ﻟﺸﺎﻣﯿۃ ﻭﯾﺴﺘﺤﺐ ﻓﯽ ﺍﻟﺠﻮﺍﺏ ﺑﺎﺳﻢ ﻣﻠﮭﻢ ﺍﻟﺼﻮﺍﺏ ﺍﻥ ﯾﻘﻮﻝ ﻋﻨﺪ ﺳﻤﺎﻉ ﺍﻻﻭﻟﯽ ﻣﻦ ﺍﻟﺸﮭﺎﺩۃ ﺻﻠﯽ ﺍﻟﻠﮧ ﻋﻠﯿﮏ ﯾﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﮧ ﻭﻋﻨﺪ ﺍﻟﺜﺎﻧﯿۃ ﻣﻨﮭﺎ ﻗﺮۃ ﻋﯿﻨﯽ ﺑﮏ ﯾﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﮧ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﮧ ﻋﻠﯿﮧ ﻭﺳﻠﻢ ﺛﻢ ﯾﻘﻮﻝ ﺍﻟﻠﮭﻢ ﻣﺘﻌﻨﯽ ﺑﺎﻟﺴﻤﻊ ﻭ ﺍﻟﺒﺼﺮ ﺑﻌﺪ ﻭﺿﻊ ﻇﻔﺮﯼ ﺍﻻ ﺑﮭﺎ ﻣﯿﻦ ﻋﻠﯽ ﺍﻟﻌﯿﻨﯿﻦ ﻓﺎﻧﮧ ﻋﻠﯿﮧ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﯾﮑﻮﻥ ﻓﺎﺋﺪﺍ ﻟﮧ ﺍﻟﯽ ﺍﻟﺠﻨۃ ﮐﺬﺍ ﻓﯽ ﮐﻨﺬ ﺍﻟﻌﺒﺎﺩ ﻗﮭﺴﺘﺎﻧﯽ ﻧﺤﻮﮦ ﻓﯽ ﺍﻟﻔﺘﺎﻭﯼ ﺍﻟﺼﻮﻓﯿۃ ﻭ ﺫﮐﺮ ﺫﻟﮏ ﺍﻟﺠﺮ ﺍﺣﯽ ﻭ ﺍﻃﺎﻝ ﺛﻢ ﻗﺎﻝ ﻭﻟﻢ ﯾﺼﺢ ﻓﯽ ﺍﻟﻤﺮﻓﻮﻉ ﻣﻦ ﮐﻞ ﮬﺬﺍ ﺷﺌﯽ - ﻋﻼﻣﮧ ﺷﺎﻣﯽ ﻧﮯ ﻗﮭﺴﺘﺎﻧﯽ ﻭ ﻏﯿﺮﮦ ﮐﮯ ﺣﻮﺍﻟﮧ ﮮ ﺳﮯ ﺍﺱ ﺗﻘﺒﯿﻞ ﮐﺎ ﺍﺳﺘﺤﺒﺎﺏ ﻧﻘﻞ ﮐﻨﮯ ﮐﺠﺮﺍﺣﯽ ﺳﮯ ﻧﻘﻞ ﮐﯿﺎ ﮬﮯ ﮐﮧ ﮐﺴﯽ ﺣﺪﯾﺚ ﺳﮯ ﺑﻌﺪ ﺍﺳﮑﺎ ﺳﺒﻮﺕ ﻧﮭﯿﯽ ﻟﮭﺬﺍ ﺍﺱ ﮐﯽ ﺳﻨﯿﺖ ﭘﺮ ﮐﻮﺋﯽ ﮐﺮ ﺳﻨﺖ ﺳﮯ ﺩﻟﯿﻞ ﻧﮭﯿﻦ ﺍﻭﺭ ﭼﻮﻧﮑﮯ ﻋﻮﺍﻡ ﺍﺱ ﺑﮭﯽ ﺑﺮﮦ ﮐﺮ ﺿﺮﻭﺭﯼ ﺳﻤﺠﮧ ﮐﺮ ﺗﺎﺭﮎ ﺗﻘﺒﯿﻞ ﮐﺮ ﺭﻣﻼﻣﺖ ﮐﺮﺗﮯ ﮬﯿﻦ ﻟﮭﺬﺍ ﺍﺳﮑﺎ ﺗﺮﮎ ﺿﺮﻭﺭﯼ ﮬﻮ ﮔﯿﺎ ﻋﺒﺎﺭﺕ ﻣﻨﺴﻠﮑﮧ ﺳﮯ ﻣﺘﻌﻠﻖ ﺟﺲ ﮐﺘﺎﺏ ﮐﺎ ﺣﻮﺍﻟﮧ ﭘﯿﺶ ﮐﯿﺎ ﮔﯿﺎ ﮬﮯ ﻭﮦ ﻏﯿﺮ ﻣﻌﺮﻭﻑ ﮬﮯ - ﺍﮔﺮ ﺻﺤﯿﺢ ﺑﮭﯽ ﮬﻮ ﺗﻮ ﺫﯾﺎﺩﮦ ﯾﮧ ﺛﺎﺑﺖ ﮬﻮﮔﺎ ﮐﮧ ﺣﻀﻮﺭ ﮐﺮﯾﻢ ﺻﻠﯽ ﺍﻟﻠﮧ ﻋﻠﯿﮧ ﻭﺳﻠﻢ ﮐﺎ ﻧﺎﻡ ﮐﮭﯿﻦ ﻟﮑﮭﺎ ﮬﻮﺍ ﮬﻮ ﺗﻮ ﺍﺳﮯ ﭼﻮﻣﻨﺎ ﺍﻭﺭ ﻧﮑﮭﻮﻥ ﭘﺮ ﻟﮕﺎﻧﺎ ﺙ ﺑﺮﮐﺖ ﻭ ﺛﻮﺍﺏ ﮬﮯ - ﺍﻭﺭ ﺍﺱ ﺳﮯ ﮐﺴﯽ ﮐﻮ ﺑﺎﻉ ﺍﻧﮑﺎﺭ ﻫﮭﯽ ﯾﮧ ﮐﯿﺴﮯ ﺛﺎﺑﺖ ﮬﻮﺍ ﮐﮧ ﻧﺎﺧﻨﻮﻥ ﮐﻮ ﭼﻮﻡ ﻭﻗﺖ ﮐﺮ ﺍﻧﮑﮭﻮﻥ ﭘﺮ ﻟﮕﺎﯾﺎ ﺟﺎﺋﮯ ﺧﺼﻮﺻﺎ ﺍﺫﺍﻥ ﮐﮧ -
“আযানের মধ্যে ﺍﺷﻬﺪﺍﻥ ﻣﺤﻤﺪﺍ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ তে যে ব্যক্তি অঙ্গুলী চুম্বন করে সে ব্যক্তি তা প্রমাণের জন্য যে সমস্ত ইবারত পেশ করে থাকে তা সত্য মিথ্যা তাহকীক করে তার জওয়াব দিন। ইবারতটি হলো, হযরত আল্লামা নাবহানী রহমতুল্লাহি আলাইহি “হুজ্জাতুল্লাহি আলাল আলামীন” কিতাবে এই বর্ণনা করেছেন, বণী ইসাঈল বংশীয় এক ব্যক্তি ছিল যে দু’শত বছর মহান আল্লাহ পাক উনার নাফরমানী করেছিল, উক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর পর লোকেরা তাকে আবর্জনার মধ্যে ফেলে দিল, মহান আল্লাহ পাক হযরত মুসা আলাইহিস সালাম উনাকে উক্ত ব্যীক্তকে উহা হতে উঠিয়ে ইজ্জতের সাথে দাফন ও তাকে ক্ষমা করার জন্য দোয়া করতে আদেশ করলেন। হযরত মুসা আলাইহিস সালাম আরয করলেন, লোকেরা তার নাফরমানীর সাক্ষ্য দিচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক বললেন, ইহা ঠিক যে, সে গুনাহগার ছিল, কিন্তু সে যখন তাওরাত কিতাব পড়ার জন্য খুলে আমার মাহবুব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম দেখতে পেত তখন সে তা চুমা খেত ও চোখে লাগাত। এ কারণেই সে আমার প্রিয় হয়ে গেছে আর আমি তার দুশত বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছি-
ﺍﻟﺠﻮﺍﺏ ﺑﺎﺳﻢ ﺍﻟﻤﻬﻢ ﺍﻟﺼﻮﺍﺏ
“শামী কিতাবে আছে আযানের সময় শাহাদাতে ছানিয়া অর্থাৎ ﺍﺷﻬﺪﺍﻥ ﻣﺤﻤﺪﺍ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ প্রথম বার ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻚ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ বলা এবং উক্ত শাহদাহের বাক্য দ্বিতীয়বার শুনে ﻗﺮﺓ ﻋﻴﻨﻰ ﺑﻚ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ বলা মুস্তাহাব .. বৃদ্ধাঙ্গীলীদ্বয়ের নখ চুম্বন করে চোখে রেখে বলা এর আমলকারীকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে টেনে বেহেশতে নিয়ে যাবেন। ইমাম কাহেসতানী রহমতুল্লাহি আলাইহি কানযুল ইবাদে এবং অনুরূপভাবে ফতওয়ায়ে সূফীয়াতে বর্ণিত আছে, ইসমাইল জারাহীও এমত পোষণ করেছেন, তবে তিনি বাড়ীয়ে ইহাও বলেছেন যে, এ ব্যাপারে বর্ণিত কোন মরফু হাদীছ শরীফ ও সহীহ হিসেবে প্রমাণিত হয় নাই। আল্লামা শামী রহমতুল্লাহি আলাইহি কাহেসতানী ও অন্যান্য মতামত দ্বারা অঙ্গুলী; চুম্বন করা মুস্তাহাব উল্লেখ করার পর জারাহীর ইবারত নকল করেছেন যে, কোন পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইহার প্রমাণ নাই। সুতরাং ইহাতে সুন্নতের অর্থাৎ সুন্নতে মোয়াক্কাদার দলীল নাই, যেহেতু আমলোক ইহাকে সুন্নাত অর্থাৎ সুন্নতে মোয়াক্কাদা হতেও বেশী জরুরী মনে করে অঙ্গুলী চুম্বন তরককারীকে তিরস্কার করে থাকে। সুতরাং উহা ত্যাগ করা উচিৎ। ইবারতের সাথে সংম্পৃক্ত যে কিতাবের ইতিহাস পেশ করা হয়েছে উহার কোন প্রসিদ্ধি নাই, এবং ছহীহ যদি হয়ও তবে ইহা বলা যেতে পারে যে, কোথাও নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম লিখা দেখে তা চুম্বন দেয়া বরকত ও সওয়াবের কারণ হবে। আর এব্যাপারে কেহ অস্বীকার করেনি। ইহা কি করে সাব্যস্ত হলো যে, অঙ্গুলী চুম্বন করে চোখে বুছা দেওয়া শুধু আযানের জন্যই খাছ। (আহসানুল ফতওয়া ১ম খ- ৩৭৯ পৃষ্ঠা)
(৩১, ৩২) অঙ্গুলী চুম্বন যা একমাত্র হযরত আবু বকর ছিদ্দিক্ব আলাইহিস সালাম হতে রেওয়ায়েতকৃত। আর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা সমর্থন করেছেন। ইহা নিম্নে বর্ণিত হলো-
ﻭﺩﺭ ﻣﺤﻴﻂ ﺍﻭﺩﻩ ﻛﻪ ﻳﺒﻐﻤﻴﺮ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺑﻤﺴﺠﺪ ﺩﺭﺍﻣﺪ ﻭﻧﺰﺩﻳﻚ ﺳﺘﻮﻥ ﺑﻨﺴﺖ ﻭﺻﺪ ﻳﻖ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﺩﺭﺑﺮﺍﺑﺮﺍﻥ ﺣﻀﺮﺕ ﻧﺜﺘﻪ ﺑﻮﺩ ﺑﻼﻝ ﺭﺽ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﺑﺮ ﺧﺎﺳﺖ ﻭﺑﺎﺫﺍﻥ ﺍﺷﺘﻐﺎﻝ ﻗﺮﻣﻮﺩ ﻳﻮﻥ ﻛﻔﺖ ﺍﺷﻬﺪ ﺍﻥ ﻣﺤﻤﺪﺍﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﺑﻮ ﺑﻜﺮ ﺭﺿﻰ ﺧﻮﺩ ﺩﻭﻳﺸﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﻫﺮ ﺩﻭ ﻧﺎ ﺧﻦ ﺍﻳﻬﺎﻣﻴﻦ ﺧﻮﺩﺭﺍﺑﺮﻫﺮ ﻧﻬﺎﺩﻩ ﻛﻔﺒﺖ ﻗﺮﺓ ﻋﻴﻨﻰ ﺑﻚ ﻳﺎ ﺭﻳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺟﻮﻥ ﺑﻼﻝ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻓﺎﺭﻍ ﺷﺪ ﺣﻀﺮﺕ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻓﺮﻣﻮﺩﻩ ﻛﻪ ﻳﺎ ﺍﺑﺎﺑﻜ
বনী ঈসরাইলের একজনের ২০০ বছরের গুনাহ মাফ নবী পাকের নামে চুমু দেওয়াতে-
বনী ইসরাঈলের ২০০ বছরের গুনাহগার বান্দা যদি হযরত নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নাম মুবারক মুহব্বত করে জান্নাতী হতে পারে, তাহলে আমরা উম্মতরা নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করলে কি নিয়ামত পাবো সেটা হিসাব করুন।
হাদীছ শরীফ : হযরত ওহবা ইবনে মোনাবাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন বণী ইস্রাঈলের এক ব্যক্তি দু’শত বছর মহান আল্লাহ পাক উনার নাফরমানীতে কাটিয়েছিল। ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর জনগণ তাকে আবর্জনার মধ্যে ফেলে দিল। তখন মহান আল্লাহ পাক হযরত মুসা আলাইহি ওয়া সালাম উনার প্রতি ওহী অবতীর্ণ করলেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে সেখান হতে তুলে তার জানাযার নামায পড়ুন। হযরত মুসা আলাইহি ওয়া সালাম আরয করলেন ইস্রাইল বংশীয় সকল লোক ঐ ব্যক্তির নাফরমানীর সাক্ষ্য দিচ্ছে। মহান আল্লাহ পাক বললেন ইহা ঠিক,
الاانه كان كلما نشر التوراة ونظرالى اسم محمد صلى الله عليه وسلم قبله وضعه على عينيه وصلى عليه فشكرت ذلك له وغفرت ذنويه وزوجته سبعين حوراء.
কিন্তু ঐ ব্যক্তির অভ্যাস ছিল, যখন তাওরাত কিতাব খুলত এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নাম মুবারক দেখতে পেত তখন এই নাম মুবারক চুম্বন করে চোখে লাগাত এবং দুরূদ পাঠ করত। এজন্যই আমি এ বান্দার হক্ক স্বীকার করেছি ও তার গুনাহ ক্ষমা করে ৭০ জন হুর তার বিবাহে দিয়েছি।
(হিলইয়াতুল আওলিয়া আবুনঈম ৪র্থ খ- ৪২ পৃষ্ঠা, সীরাতে হালবীয়া ১ম খ- ১৩৬ পৃষ্ঠা, তাফসীরে রুহুল বয়ান ৭/১৪৩, খাসায়েসুল কুবরা ১/২৭, সুবলুল হুদা ওয়ার রাশাদ ফি সীরাতে খাইরুল ইবাদ ১/৪১২, হুজ্জাতুল্লাহি আলাল আলামীন, তাফসীরে দুররুল মানছুর ৬/৬১৯, )
No comments:
Post a Comment