ডি[05/05 08:09] WYNqXcK: মুসাফাহা হবে দুই হাতে বিরুদ্ধবাদীদের দলীল ও জবাব
الحمد لله رب العالمين والصلاة والسلام على رسول الله صلى الله عليه وسلم وعلى آله وأصحابه ومن تبعهم بإحسان إلى يوم الدين বিরুদ্ধবাদীদের দলীল إن المؤمن إذا لقي المؤمن فسلم عليه وأخذ بيده فصافحه تناثرت خطاياهما كما يتناثر ورق الشجر ) قال المنذري (3/270) : " رواه الطبراني
: অর্থ: কোনও মুমিন বান্দা যখন আরেকজন মুমিনের সাথে সাক্ষাৎ করে এবং তার হাত ধরে মুসাফাহা করে তখন তাদের উভয়ের (সগীরা) গুনাহগুলো এমনভাবে ঝরে যায় যেমন গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তিবরানী3/270
এখানে বলা হয়েছে أخذ بيده অর্থাৎ মুমীন অপর মুমীনের হাত ধরবে অতঃপর মুসাফাহা করবে يدশব্দ একবচন অতএব মুসাফাহা হবে এক হাতে
জবাব নং ১
আল্লাহ পাক কুরআনে কারীমে ইরশাদ করেছেন-
وَلَا تَجْعَلْ يَدَكَ مَغْلُولَةً إِلَىٰ عُنُقِكَ وَلَا تَبْسُطْهَا كُلَّ الْبَسْطِ فَتَقْعُدَ مَلُومًا مَحْسُورًا [١٧:٢٩
(কৃপণতাবশে) নিজের হাত ঘাড়ের সাথে বেঁধে রেখ না এবং (অপব্যয়ী হয়ে) তা সম্পূর্ণরূপে খুলে রেখ না, যদ্দরূ তোমাকে নিন্দাযোগ্য ও নিঃস্ব হয়ে বসে পড়তে হয়। {সূরা ইসরা-২৯}
এ আয়াতে কি এক হাতই উদ্দেশ্য? আর সে হাত ডান হাত?!না তা কখনোই নয় বরং দুই হাতই উদ্দেশ্য অতএব মুসাফাহা হবে দুই হাতে
জবাব নং ২
রাসূল সাঃ নিজেও দুআ করতেন, আর অন্যদেরও শিখাতেন যে, اللهم اجعل فى بصرى نورا واجعل فى سمعى نورا তথা হে আল্লাহ! আমার চোখে নূর দাও! আমার কানে নূর দাও! {সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-১৮৩৫}
তাহলে এ হাদীসে بصرও سمعএক বচনের সীগা ব্যবহৃত হওয়ার কারণে এক কান ও এক চোখ বুঝানো উদ্দেশ্য? না তা কখনোই নয় বরং দুই কান দুই চোখ উদ্দেশ্য অতএব মুসাফাহা হবে দুই হাতে
জবাব নং ৩ আর المسلم من سلم المسلمون من لسانه ويده তথা প্রকৃত মুসলমান ঐ ব্যক্তি, যার হাতও মুখ হতে অপর মুসলমান নিরাপদ থাকে {সহীহ বুখারী, হাদীস নং-১০} এবং من رأى منكم منكرا فليغيره بيده তথা যে ব্যক্তি কোন নিষিদ্ধ কাজ দেখে তাহলে সে যেন তা হাত দিয়ে প্রতিহত করে, {সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-১৮৬} এসব হাদীসে يد এক বচন আসায় কি এক হাতই উদ্দেশ্য? এক্ষেত্রেও অন্য হাত ব্যবহার করা সুন্নাতের খেলাফ হবে? না তা কখনোই নয় বরং দুই হাতই উদ্দেশ্য অতএব মুসাফাহা হবে দুই হাতেএটাই সুন্নত
: জবাব নং ৪ এসব হাদীসে يدদ্বারা উদ্দেশ্য যদি হাতের দ্বারা উভয় হাতই উদ্দেশ্য ধরা না হয় তর্কের খাতিরে,বরং এক হাত উদ্দেশ্য নেয়া হয়, তাহলে আরবীতে يدশব্দতো আঙ্গুল থেকে নিয়ে কাঁধ পর্যন্ত পূর্ণ অংশকেই বুঝায়। এ অর্থ হিসেবে কি দুই ব্যক্তি যদি উভয়ে কনিষ্ঠা আঙ্গুলি মিলায়, বা উভয়ের বাম কাঁধ পরস্পর মিলায়, তাহলে এ হাদীসের উপর আমল হবে? না হবে না? কেননা বাম হাতও তো হাত পা তো নয়!অতএব يدএকবচন কিন্তু বাম হাত কেন মানবেন না সুতরাং মুসাফাহা হবে দুই হাতে
জবাব নং ৫
যেমন হাদীসের মাঝে ওজুর অংগ এক এক বার অঙ্গ ধোয়ার হাদীস যেমন আছে, দুইবার করে ধোয়ার হাদীসও,আছে সেই সাথে তিনবার করে ধোয়ার হাদীসও বিদ্যমান আছে। এখন যে ব্যক্তি তিনবার করে অঙ্গ ধৌত করবে, সে তিন হাদীসের উপরই আমল করল। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি একবার করে অঙ্গ ধৌত করবে, সে সুনিশ্চিতভাবে দু’টি হাদীসের উপর করেনি, এখন এই ব্যক্তি যদি এ প্রোপাগান্ডা শুরু করে দেয় যে, একবার করে অঙ্গ ধৌত করাই সুন্নাত, আর তিনবার করে ধৌত করা বেদআত ও খেলাফে সুন্নাত, তাহলে এ মুর্খতার ব্যাপারে যতই আফসোস করা হোক না কেন, তা কমই হবে, তাই নয়কি? অতএব মুসাফাহা হবে দুই হাতে এটাই সুন্নত
জবাব নং ৬
ডান হাতে মুসাফাহা করার বিষয়টি যখন কোন কওলী, ফেলী বা তাক্বরীরী, হাসান, সহীহ বা যয়ীফ কোন হাদীস দ্বারাই প্রমাণ করতে ব্যর্থ হল, তখন আভিধানিক অর্থের দিকে দৌড়িয়েছে। বলতে শুরু করেছে যে, মুসাফাহা হাতের তালু মিলানোর নাম। অথচ এখানেও হাত তার জিনস তথা প্রকরণের হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
তাহলে যদি দুই ব্যক্তি তাদের হাতের বাম তালু দিয়ে মুসাফাহা করে, তাহলে আভিধানিক অর্থে এটাও মুসাফাহা বলে সাব্যস্ত হয়, কিন্তু তারা এর উপর কখনোই আমল করে না।
আফসোস লাগে! না হাদীস তাদের মাথায় হাত রেখেছে, না আভিধানিক অর্থ তাদের আশ্রয় দিয়েছে। তবে কাফেরদের সামাঞ্জস্যতা যা হাদীস দ্বারা নিষিদ্ধ এটা তাদের অর্জিত হয়েছে ভালভাবেই।
দৃষ্টিও ইচ্ছেমত, পছন্দও ইচ্ছেমত!অতএব মুসাফাহা হবে দুই হাতে এটাই সুন্নত
জবাব নং ৭
আবদুল্লাহ বিন মাসউদ রাঃ থেকে তালীকান এ বর্ণনা এনেছেন যে, علمنى النبى صلى الله عليه وسلم التشهد وكفى بين كفيه، অর্থাৎ “হুজুর সাঃ আমাকে তাশাহুদ শিখালেন, এমতাবস্থায় যে, আমার হাত রাসূল সাঃ এর উভয় হাতের মাঝে ছিল”।
ইমাম বুখারী রহঃ স্বীয় সহীহ বুখারীর ২ নং খন্ডের ৯২৬ নং পৃষ্ঠায় “বাবুল মুসাফাহা”নামে পরিচ্ছেদ স্থাপন করেছেন সেখানে উপরোক্ত বর্ণনাটি আছে
অতএব মুসাফাহা হবে দুই হাতে এটাই সুন্নত
জবাব নং ৮
ইমাম বুখারী রহঃ এর পর “বাবুল আখজ বিল ইয়াদাইন”তথা “উভয় হাত ধরা”নামে বাব স্থাপন করেছেন। আর তাতে হাম্মাদ বিন জায়েদ রহঃ এবং আব্দুল্লাহ বিন মুবারক রহঃ এর মুসাফাহার উল্লেখ করেছেন যে, তারা উভয় হাতে মুসাফাহা করেছেন।
তারপর উভয় হাতের মুসাফাহার দলীল হিসেবে উপরোক্ত বর্ণনাটি আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাঃ থেকে পূর্ণ সনদসহ এনেছেন যে, আমার হাত রাসূল সাঃ এর উভয় হাতের মাঝামাঝি ছিল। {সহীহ বুখারী-২/৯২৬, হাদীস নং-৫৯১০, সহীহ মুসলিম-১/১৭৩, সুনানে নাসায়ী-১/১৭৫} অতএব মুসাফাহা হবে দুই হাতে এটাই সুন্নত
জবাব নং ৯ ইমাম বুখারী রহঃ তার তারীখের কিতাবে বলেন-
حدثنى اصحابنا يحيى وغيره عن اسماعيل بن ابراهيم قال رأيت حماد بن زيد وجاء ابن المبارك بمكة فصافه بكلتا يديه، (حاشية —–بخارى-২/৯২৬)
অর্থাৎ ইসমাঈল বিন ইবরাহীম রহঃ বলেন-আমি হাম্মাদ বিন জায়েদ রহঃ কে দেখেছি যে, তার কাছে আব্দুল্লাহ বিন মুবারক রহঃ মক্কা মুকার্রমায় এসেছেন, তখন তিনি উভয় হাতে মুসাফাহা করেছেন। {হাশিয়ায়ে সহীহ বুখারী-২/৯২৬} অতএব মুসাফাহা হবে দুই হাতে এটাই সুন্নত
জবাব নং ১০
আসল কথা হল, যখন ব্যক্তি উভয় হাতে মুসাফাহা করে, তখন এক হাতের উভয় পাশে অন্যজনের উভয় হাত লেগে থাকে। হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাঃ এক হাতের এ সৌভাগ্য বর্ণনা করেছেন যে, আমার এ হাতের উভয় পাশে রাসূল সাঃ এর হাত মুবারক লেগে ছিল।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সহীহ বুঝ দান করুন। সুন্নাতের উপর আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন।অতএব মুসাফাহা হবে দুই হাতে এটাই সুন্নত
জবাব নং ১১ তাছাড়া হাদীসে এসেছে যে, যখন মুসলমানগণ মুসাফাহা করে তখন তার গোনাহ ঝরে যায়। {মুসনাদে আহমাদ, তিরমিজী, ইবনে মাজাহ} একথাতো স্পষ্ট যে, মানুষ দুই হাতেই গোনাহ করে থাকে। তাই উভয় হাত থেকেই গোনাহ ঝরা উচিত। কিন্তু আমাদের আহলে হাদীস বন্ধুরা যেন এক হাতকে জাহান্নামের জন্য রিজার্ভ করে দিয়েছেন যে, এ হাত থেকে গোনাহ ঝরার দরকার নেই।: অতএব মুসাফাহা হবে দুই হাতে এটাই সুন্নত
জবাব নং ১২
মুসাফাহা এর শাব্দিক ব্যাখ্যা ও পদ্ধতি
মুসাফাহা (اَلْمُصَافَحَةُ) এটা আরবী শব্দ (صَفْحٌ) থেকে নির্গত। এর অর্থ হলো, পার্শ্ব, । (صَفْحَةُ الْوَرَقِ) অর্থাৎ কাগজের এক পাশ; পৃষ্ঠা। এমনিভাবে হাতের দু’টি দিক রয়েছে, তালুর দিক, উপরের দিক।
অতএব (صَافَحَهُ مُصَافَحَةً) এর অর্থ হলো, নিজের হাতের এক দিক অপরের হাতের আরেক দিকের সাথে মিলানো। এটা হলো অর্ধেক মুসাফাহা। অতঃপর যখন আরেক হাত রাখবে তখন প্রত্যেকের অপর হাত আরেকজনের অপর হাতের সাথে মিলে যাবে। এটা হলো পূর্ণ মুসাফাহা।
মুসাফাহার সঠিক পদ্ধতি হলো, উভয় হাতে মুসাফাহা করা। মুসাফাহার সময় প্রত্যেকের এক হাত অপর ব্যক্তির দুই হাতের মাঝে থাকবে
জবাব নং ১৩
মুসলমানদের মাঝে উভয় হাতে মুসাফাহা করার পদ্ধতিটি উম্মাহর একটি নিরবচ্ছিন্ন কর্মধারা, যা যুগ পরম্পরায় স্বীকৃত। ইংরেজদের আমলের পূর্বে কোন ইসলামী গ্রন্থে দুই হাতে মুসাফাহা করাকে বিদ‘আত বা সুন্নাতের খেলাফ বলে মন্তব্য করা হয়নি।
ইংরেজ আমলের শুরুর দিকেও মুসলমানরা পরস্পর সাক্ষাতের সময় দুই হাতে মুসাফাহা করতো। আর ইংরেজরা পরস্পর সাক্ষাতের সময় এক হাতে মুসাফাহা করতো, যাকে মূলত তারা হ্যান্ডশেক বলতো। ইংরেজদের এ প্রথাকে সর্বপ্রথম গ্রহণ করে তৎকালীন আধুনিক শিক্ষিতরা। তারা কলেজ ভার্সিটিতে এক হাতে মুসাফাহা করার রেওয়াজ শুরু করে দেয়। অবশ্য এটাকে তারা ইংরেজদের পদ্ধতিই মনে করতো। কিন্তু পরবর্তীতে সেসব আধুনিক শিক্ষিতদের তাকলীদ করে কথিত আহলে হাদীসরাও নিজেদের অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য শুধু এক হাতে মুসাফাহা করার রীতি বের করে। কিন্তু পার্থক্য হলো কথিত আহলে হাদীসরা ইংরেজদের পদ্ধতিটিকে সুন্নাত সাব্যস্ত করে মুসলমানদের মাঝে যুগ যুগ ধরে উম্মাহর নিরবচ্ছিন্ন কর্ম পরম্পরায় চলে আসা দুই হাতে মুসাফাহার আমলী পদ্ধতিকে বিদ‘আত ও সুন্নাত পরিপন্থী বলে প্রচারণা শুরু করে দেয়। সেই সাথে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতের অনুসারী জামা‘আতকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতের বিরোধী, সুন্নাত ধ্বংসকারী হিসাবে প্রচার করতে শুরু করে। মুসলমানদের মাঝে প্রচলিত ইসলামী পদ্ধতিটি মিটিয়ে দেয়াকে সুন্নাত জিন্দা করার নামে অভিহিত করতে থাকে। এভাবেই সালাম ও মুসাফাহা, যা এক সময় মুসলমানদের পরস্পর মুহাব্বত ও মাগফিরাতের মাধ্যম ছিলো, সেটা বিবাদ-ঝগড়া ও বিভক্তির মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।অতএব মুসাফাহা হবে দুই হাতে এটাই সুন্নত
জবাব নং ১৪ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন,
مَا مِنْ مُسْلِمَيْنِ يَلْتَقِيَانِ، فَيَتَصَافَحَانِ، إِلَّا غُفِرَ لَهُمَا قَبْلَ أَن يَّفْتَرِقَا
অর্থ: দু’জন মুসলমান যখন পরস্পর সাক্ষাৎ করে মুসাফাহা করে, তখন তারা পৃথক হওয়ার পূর্বেই তাদেরকে ক্ষমা করে দেয়া হয়।
[সুনানে আবু দাউদ (৫২১২); গুনাহ দুই হাতে অর্জিত হয় মাফ হবে দূই হাতেরই অতএব মুসাফাহা হবে দুই হাতে এটাই সুন্নত
জবাব নং 15
[ সাহাবীদের সমাজে মুসাফাহা একটি মশহুর অভ্যাস ছিল। কাতাদা থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি আনাস বিন মালিক (রাঃ)কে বললেন: “রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীদের মাঝে কি মুসাফাহার প্রথা ছিল? তিনি বলেন: হ্যাঁ।”[সহিহ বুখারী (৬২৬৩)]
জবাব নং ১৬ ইবনে বাত্তাল বলেন: “সর্বস্তরের আলেমদের মতে, মুসাফাহা একটি নেক কাজ। নববী বলেন: সাক্ষাতের সময় মুসাফাহা করা সুন্নত মর্মে ইজমা বা আলেমদের ঐক্যমত্য সংঘটিত হয়েছে।”[যেমনটি রয়েছে ‘ফাতহুল বারী’ গ্রন্থে (১১/৫৫)]
জবাব নং ১৭ হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি আব্দুল্লাহ্ বিন মুবারকের সাথে দুই হাতে মুসাফাহা করেছেন; যেমনটি সহিহ বুখারীতে ‘তালীক’ (পৃষ্ঠা-১২০৬) হিসেবে উদ্ধৃত হয়েছে।
জবাব নং ১৮ : হযরত আনাস রা. বলেন, রাসুলুল্লাহ সা. এর নিকট কেউ এলে তিনি তার সাথে মুসাফাহা করতেন। [তিরমিযি] মুসাফাহার ফজিলত বর্ণনা করতে গিয়ে মহানবী সা. বলেন, এক মুসলমান অপর মুসলমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় মুসাফাহা করলে উভয়ে আলাদা হওয়ার পূর্বেই সকল গুনাহ মাফ হয়ে যায়। [আবু দাউদ : ২/৭০৮; তিরমিযি : ২/১০২]
জবাব নং ১৯ উভয় হাতে মুসাফাহা করা সুন্নাত। এক হাতে মুসাফাহা করা কিংবা হ্যান্ডশেক করা সুন্নাত পরিপন্থী ও বিজাতীয় অনুকরণ। তাই এটি পরিতাজ্য। [বুখারি : ২/৭২৬; রদ্দুল মুহতার : ৯/৫৪৮;
জবাব নং ২০ হযরত আয়শা সিদ্দিকা রাঃ বলেন- রাসূল সাঃ এক মহিলাকে বললেন-قد بايعتك অর্থাৎ আমি তোমাকে বাইয়াত করালাম। হযরত আয়েশা রাঃ বলেন যে, তাকে শুধু কথার দ্বারা বাইয়াত করিয়েছেন, হাত ধরে বাইয়াত করাননি।
আল্লামা কাশতাল্লানী রহঃ ইরশাদুস সারী শরহু সহীহ বুখারীতে এবং আল্লামা বদরুদ্দীন আইনী রহঃ উমদাতুল ক্বারী শরহু সহীহিল বুখারীতে আয়শা রাঃ এর বক্তব্যের ব্যাখ্যায় বলেন- اى لا باليد كما كان يبايع الرجال بالمصافحة باليدينঅর্থাৎ হাত দিয়ে বাইয়াত করাননি, যেমন পুরুষদের বাইয়াত করানোর সময় উভয় হাতে মুসাফাহা করতেন।
, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]
No comments:
Post a Comment